কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৮ মে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দুজনই হেভিওয়েট প্রার্থী। একজন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, অন্যজন কক্সবাজার পৌরসভার টানা চার মেয়াদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান (মেয়রের আগের পদ) ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার।
কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমান নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে এক বছর আগে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে দলের মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি মনোনয়ন চেয়ে পাননি।
সহায়-সম্পদে মুজিবুর রহমানের ধারেকাছেও নেই নুরুল আবছার। তবে আবছার মামলা ও শিক্ষায় এগিয়ে আছেন। উপজেলা নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ছয় বছরে মুজিবুর রহমানের সম্পদ ও আয় কয়েক গুণ বেড়েছে। উচ্চমাধ্যমিক পাস মুজিবুর রহমানের পেশা ডেইরি ফার্ম ও ফিশিং বোট। তাঁর নগদ টাকা আছে ৩৩ লাখ। কৃষি খাত থেকে তিনি বার্ষিক আয় করেন ৩২ হাজার, বাড়ি ভাড়া থেকে পান ১৪ লাখ ১২ হাজার ৭০০ টাকা। ব্যবসায় তাঁর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ ২০ হাজার। ফার্ম থেকে তাঁর আয় ৩৭ হাজার এবং নির্ভরশীলদের আয় ৭২ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে মুজিবুর রহমানের নিজের নামে ৭ লাখ টাকার দশমিক ২১৫৪ একর জমি, ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার ১ দশমিক ৫১ একর, ৫৬ হাজার টাকার ১৪ শতক কৃষিজমি রয়েছে। তিনি ২০২১ সালের একটি মামলার আসামি। তাঁর কোনো দায় ও ঋণ নেই।
এদিকে বিএ পাস নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে ২০টি মামলা আছে। এর অধিকাংশই দুর্নীতির মামলা। এর মধ্যে তিনি একটি মামলায় দুই বছর সাজা ভোগ করেছেন। ১৩টি মামলায় খালাস পেয়েছেন। একটি মামলা স্থগিত এবং বাকি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাঁর কোনো বাড়িঘর নেই। বাৎসরিক আয় ৪ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদ বলতে তিনি ৪ শতক কৃষিজমির মালিক। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার এবং অন্যান্য ১৭ লাখ টাকা রয়েছে। আবছারের স্ত্রীর নামে রয়েছে সাড়ে ৩ লাখ টাকার স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র।

কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৮ মে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দুজনই হেভিওয়েট প্রার্থী। একজন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, অন্যজন কক্সবাজার পৌরসভার টানা চার মেয়াদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান (মেয়রের আগের পদ) ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার।
কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমান নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে এক বছর আগে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে দলের মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি মনোনয়ন চেয়ে পাননি।
সহায়-সম্পদে মুজিবুর রহমানের ধারেকাছেও নেই নুরুল আবছার। তবে আবছার মামলা ও শিক্ষায় এগিয়ে আছেন। উপজেলা নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ছয় বছরে মুজিবুর রহমানের সম্পদ ও আয় কয়েক গুণ বেড়েছে। উচ্চমাধ্যমিক পাস মুজিবুর রহমানের পেশা ডেইরি ফার্ম ও ফিশিং বোট। তাঁর নগদ টাকা আছে ৩৩ লাখ। কৃষি খাত থেকে তিনি বার্ষিক আয় করেন ৩২ হাজার, বাড়ি ভাড়া থেকে পান ১৪ লাখ ১২ হাজার ৭০০ টাকা। ব্যবসায় তাঁর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ ২০ হাজার। ফার্ম থেকে তাঁর আয় ৩৭ হাজার এবং নির্ভরশীলদের আয় ৭২ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে মুজিবুর রহমানের নিজের নামে ৭ লাখ টাকার দশমিক ২১৫৪ একর জমি, ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার ১ দশমিক ৫১ একর, ৫৬ হাজার টাকার ১৪ শতক কৃষিজমি রয়েছে। তিনি ২০২১ সালের একটি মামলার আসামি। তাঁর কোনো দায় ও ঋণ নেই।
এদিকে বিএ পাস নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে ২০টি মামলা আছে। এর অধিকাংশই দুর্নীতির মামলা। এর মধ্যে তিনি একটি মামলায় দুই বছর সাজা ভোগ করেছেন। ১৩টি মামলায় খালাস পেয়েছেন। একটি মামলা স্থগিত এবং বাকি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাঁর কোনো বাড়িঘর নেই। বাৎসরিক আয় ৪ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদ বলতে তিনি ৪ শতক কৃষিজমির মালিক। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার এবং অন্যান্য ১৭ লাখ টাকা রয়েছে। আবছারের স্ত্রীর নামে রয়েছে সাড়ে ৩ লাখ টাকার স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে