কক্সবাজার প্রতিনিধি

ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারের দায়ে শ্যালক ও দুলাভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ সময় প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব উজানটিয়া এলাকার রমিজ উদ্দিন এবং চকরিয়া উপজেলার বদরখালী এলাকার ওয়াইজ উদ্দিন। সম্পর্কে তারা শ্যালক ও দুলাভাই।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ আগস্ট রাতে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি দল খবর পায় পেকুয়া উপজেলার পূর্ব উজানটিয়া এলাকায় জনৈক মাদক কারবারির বাড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যে ইয়াবার বড় একটি চালান মজুদ করেছে। এমন খবরে র্যাব সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে ফেলে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩-৪ জন লোক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ৯০০ টি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ১০ আগস্ট র্যাবের এক সদস্য বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ মামলায় ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
আদালতের কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বলেন, দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ সোমবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। এতে বিচারক দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ এবং প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। এ সময় জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে সাজার আদেশও দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।

ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারের দায়ে শ্যালক ও দুলাভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ সময় প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব উজানটিয়া এলাকার রমিজ উদ্দিন এবং চকরিয়া উপজেলার বদরখালী এলাকার ওয়াইজ উদ্দিন। সম্পর্কে তারা শ্যালক ও দুলাভাই।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ আগস্ট রাতে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি দল খবর পায় পেকুয়া উপজেলার পূর্ব উজানটিয়া এলাকায় জনৈক মাদক কারবারির বাড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যে ইয়াবার বড় একটি চালান মজুদ করেছে। এমন খবরে র্যাব সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে ফেলে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩-৪ জন লোক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ৯০০ টি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ১০ আগস্ট র্যাবের এক সদস্য বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ মামলায় ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
আদালতের কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বলেন, দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ সোমবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। এতে বিচারক দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ এবং প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। এ সময় জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে সাজার আদেশও দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে