উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ায় শবে বরাতকে কেন্দ্র করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অস্বাভাবিক দামে বিক্রি করায় মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার ভোর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মাংসের দোকানের পাশাপাশি মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও অস্থায়ী দোকান বসিয়ে চড়া দামে মাংস বিক্রি করেন। কেজি প্রতি ৭০০ টাকা শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দাম রাখছেন তাঁরা।
এ ছাড়া কিছু দোকানে ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কৌশলে মাপে কম দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাংসসহ নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে উখিয়া সদর দারোগা বাজার, কোটবাজার, সোনার পাড়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান হোসাইন সজীব দারোগার বাজারের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ওজনে কারচুপির দায়ে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, ‘ক্রেতাদের অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি, বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাজারে মাংস কিনতে আসা উখিয়া সদরের বাসিন্দা মোজাম্মেল হক (৩৫) বলেন, ‘এমনিতেই বাজারে দ্রব্যমূল্য নাগালের বাইরে, আজ ফাতিহা (শবে বরাত) হওয়ায় দুই কেজি মাংসের জন্য এসেছিলাম। দুদিন আগেও ৬০০ টাকায় বিক্রি হওয়া মাংস আজ ১ হাজার টাকা চাইতেছে।’
এক হাজার টাকা মূল্যে মাংস বিক্রির কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে দারোগা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী শামুসল আলম বলেন, ‘এবার মাংসের দাম একটু বেশি রাখতে হচ্ছে। কারণ বেশি দামে গরু কিনেছি। সকালের দিকে সাতশ/আটশ টাকা কেজি দরে বেচেছি।’

কক্সবাজারের উখিয়ায় শবে বরাতকে কেন্দ্র করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অস্বাভাবিক দামে বিক্রি করায় মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার ভোর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মাংসের দোকানের পাশাপাশি মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও অস্থায়ী দোকান বসিয়ে চড়া দামে মাংস বিক্রি করেন। কেজি প্রতি ৭০০ টাকা শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দাম রাখছেন তাঁরা।
এ ছাড়া কিছু দোকানে ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কৌশলে মাপে কম দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাংসসহ নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে উখিয়া সদর দারোগা বাজার, কোটবাজার, সোনার পাড়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান হোসাইন সজীব দারোগার বাজারের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ওজনে কারচুপির দায়ে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, ‘ক্রেতাদের অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি, বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাজারে মাংস কিনতে আসা উখিয়া সদরের বাসিন্দা মোজাম্মেল হক (৩৫) বলেন, ‘এমনিতেই বাজারে দ্রব্যমূল্য নাগালের বাইরে, আজ ফাতিহা (শবে বরাত) হওয়ায় দুই কেজি মাংসের জন্য এসেছিলাম। দুদিন আগেও ৬০০ টাকায় বিক্রি হওয়া মাংস আজ ১ হাজার টাকা চাইতেছে।’
এক হাজার টাকা মূল্যে মাংস বিক্রির কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে দারোগা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী শামুসল আলম বলেন, ‘এবার মাংসের দাম একটু বেশি রাখতে হচ্ছে। কারণ বেশি দামে গরু কিনেছি। সকালের দিকে সাতশ/আটশ টাকা কেজি দরে বেচেছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে