
চট্টগ্রামের পটিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে আহত সুপারি ব্যবসায়ী আবুল কাসেম (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ সোমবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। ইকবাল হোসেন নামে স্থানীয় এক ছাত্রলীগ নেতা ওই ব্যবসায়ীকে কুপিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৫ এপ্রিল সকালে পৌর সদরের চিবাতলী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত আবুল কাসেমের বাড়ি পৌর সদরের চিবাতলী গ্রামে। তিনি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামাল বাজার এলাকার সুপারি ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত ইকবাল পটিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বলে জানা গেছে। ২০২১ সালের পৌর সদরের আবদুল মাবুদ হত্যা মামলার আসামি তিনি।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পৌর সদরের চিবাতলী গ্রামের প্রতিবেশী ইকবাল হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে আবুল কাসেমের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছে। ১৫ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে নিজ জমিতে কাজ করতে গেলে ইকবালসহ কয়েকজন তাঁকে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে আবুল কাসেম এবং তাঁর ভাই আবুল কালাম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ৬টার দিকে আবুল কাসেম মারা যান। আহত আরেক ভাই আবুল কালামের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আবুল কাসেমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তাঁর ছোট বোন রিজিয়া বেগম। তিনি বলেন, তাঁর ভাইয়েরা পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত ইকবালের বিরুদ্ধে আগেও হত্যা মামলা রয়েছে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং দ্রুত তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।

চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
৪২ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ড্রেজার ও রুট পারমিটবিহীন বাল্কহেড দিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের জরিমানার পরেও উপজেলার ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিক ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষেরা। গত ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। এর মধ্যে ১২টি পরিবারের অন্তত সাতটি টিনের ঘর পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি ঘরের আংশিক নদীতে চলে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জীবিকার তাগিদে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ৩৩ বছরে নিখোঁজ বরগুনার পাথরঘাটার ১৯২ জেলে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, উত্তাল ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার কবলে ট্রলারডুবির পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও বাড়াচ্ছে এ ঝুঁকি। অনেকের পরিবার এখনো স্বজনের অপেক্ষায়।
২ ঘণ্টা আগে