
বঙ্গোপসাগরে সন্দ্বীপ চ্যানেলে পাথরবোঝাই একটি বাল্কহেড ডুবে গেছে। এতে বাঁশ ধরে সমুদ্রে ঘণ্টাখানেক ভেসে থাকা সাত নাবিক ও স্টাফকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল ঢেউয়ের কারণে বাল্কহেডটি ডুবে যায়। এ সময় নৌযানটিতে থাকা সাত নাবিক ও স্টাফ জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট গায়ে দিয়ে সমুদ্রে লাফিয়ে পড়েন। তাঁরা একটি বাঁশের বোঝা ধরে প্রায় এক ঘণ্টা সমুদ্রে ভেসে ছিলেন। পরে কুমিরা-গুপ্তছড়া পথের একটি যাত্রীবাহী নৌযান তাঁদের উদ্ধার করে।
কুমিরা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ওয়ালি উদ্দিন আকবর আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চট্টগ্রামের মাঝেরঘাট থেকে পাথরবোঝাই করা বাল্কহেডটি সন্দ্বীপ চ্যানেল হয়ে ভোলার দিকে যাচ্ছিল। চ্যানেলের মাঝামাঝি যাওয়ার পর উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের কবলে পড়ে এটি ডুবে যায়। পরে খবর পেয়ে যাত্রীবাহী একটি নৌযানের মাধ্যমে বাল্কহেডের সাত নাবিক ও স্টাফকে উদ্ধার করে উপকূলে আনা হয়। তাঁরা সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।

কাঁধের টিউমার অপসারণ করাতে গিয়ে ‘ভুল অস্ত্রোপচারে’ মারা গেছেন কৃষক ওসমান গণি (৫৫)। একই চিকিৎসকের ভুল অস্ত্রোপচারের শিকার হয়ে পঙ্গু হওয়ার পথে আরও তিনজন নারী-পুরুষ।
৫ ঘণ্টা আগে
তিস্তার পানি কমছে, কিন্তু কমছে না নদীপাড়ের মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। বরং পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় নদীর দুই তীরে শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। স্থানীয়দের দাবি, জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানো গেলেও স্থায়ী সমাধান মিলবে না। তিস্তা খনন ছাড়া এই সংকটের কোনো বিকল্প নেই।
৫ ঘণ্টা আগে
পার্বত্য অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের ভাগ্যবদল, আমিষের চাহিদা পূরণ এবং ক্ষুদ্র খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে পাহাড়ি জনপদের ভূপ্রকৃতি ও প্রথাগত প্রাণী পালনের রীতি উপেক্ষা করে অবাস্তব পরিকল্পনার কারণে প্রকল্পের উদ্দেশ্যও...
৫ ঘণ্টা আগে
বঙ্গোপসাগরে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত না হওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস-সংকটের সুরাহা হয়নি। মেরামতকাজ শুরু হলেও টার্মিনালটি কবে চালু হবে, তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি পেট্রোবাংলা বা জ্বালানি মন্ত্রণালয়। ফলে গ্যাসের এই তীব্র সংকট শিগগির কাটছে না।
৫ ঘণ্টা আগে