
খুলনার ভৈরব নদের জেলখানা ঘাটে ট্রলার ডুবির ঘটনার সাত দিন পর নিখোঁজ যুবক রাকিব খানের (২৭) ভেসে ওঠা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার পশুর নদ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাকিব ট্রলারডুবির পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বটিয়াঘাটা উপজেলার কাতিয়ানংলা গ্রামের শেয়ালডাঙ্গী এলাকায় পশুর নদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) ফোন দেন। খবর পেয়ে রূপসা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
রূপসা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের জানান, মরদেহটি বেশ কয়দিন আগের হওয়ায় বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। নিখোঁজ পরিবারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় এটি রাকিবের দেহ। নিহতের মামা কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি তাঁর ভাগনে রাকিবের বলে শনাক্ত করেন।
আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।
উল্লেখ্য, ১ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১০টার দিকে নগরীর ভৈরব নদের জেলখানা ঘাট পারাপারের সময় ফেরির ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে যায়। সে সময় অন্য যাত্রীরা সাঁতরে তীরে উঠলেও নিখোঁজ হন রাকিব।

উন্নয়নকাজের দীর্ঘসূত্রতায় দুর্ভোগে রয়েছে রাজশাহীর নগরবাসী। চারটি ফ্লাইওভার নির্মাণ এবং ওয়াসার পাইপলাইন সম্প্রসারণকাজে শহরের প্রধান সড়কগুলোর কোথাও বন্ধ, কোথাও সংকুচিত হয়ে পড়েছে চলাচলের পথ। কোথাও বড় বড় গর্ত, কোথাও কাদাপানি; সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ছে ভোগান্তি।
৩৬ মিনিট আগে
বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনরোধে নেওয়া হচ্ছে না কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা। ফলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যমুনার ভাঙন। গত কয়েক দিনের ভাঙনে বহু মানুষের আবাদি জমি, বসতভিটা বিলীন হয়েছে। যমুনায় সব হারিয়ে এখন অথৈ সাগরে পড়েছেন নদীপারের বাসিন্দারা।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ বয়স জালিয়াতি করে ১৭ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অফিস অর্গানোগ্রামের (প্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো) বাইরে গিয়ে তিনি পদোন্নতিও পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ১০ শয্যার বার্ন ইউনিট। এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০১৯ সালের অক্টোবরে। সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এই ইউনিট চালু হয়নি। নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় নার্স ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। এমনকি হাসপাতালের অর্গানোগ্রামেও বার্ন ইউনিটের অ
১ ঘণ্টা আগে