সবুজ শর্মা শাকিল, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডিসি পার্কে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাসব্যাপী ফুল উৎসব শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আহসানুল হক।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান, সৈয়দ মাহবুবুল হক, মো. শরীফ উদ্দিন পাঠান, মো. সাইদুজ্জামান, সাখাওয়াত জামিল সৈকত ও সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মো. আহসানুল হক বলেন, ডিসি পার্কের ফুল উৎসব শুধু চট্টগ্রামের নয়, বরং সারা দেশের মানুষের জন্য আনন্দের একটি আয়োজন। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি দর্শনার্থীরা এখানে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
আয়োজকদের তথ্যমতে, চতুর্থবারের মতো আয়োজিত এবারের ফুল উৎসবে দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে ১৪০ প্রজাতির নানা রঙের বাহারি ফুল দিয়ে পুরো পার্ক সাজানো হয়েছে। মাসব্যাপী এই উৎসবে দর্শনার্থীদের প্রবেশ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। এবার ২০ লাখের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা জেলা প্রশাসনের।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ফুল ও জলাশয়ের সমন্বয়ে পার্কটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইকো সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। এতে প্রজাপতি, মৌমাছি, ফড়িং, পানকৌড়ি ও রঙিন মাছের উপস্থিতি বেড়েছে। পার্কের মূল ফটকের ভেতরে পুকুরের দুই পাড়জুড়ে ফুল দিয়ে তৈরি জায়ান্ট ফ্লাওয়ার, ট্রি হাউস, ট্রিপল হার্ট শেলফ, ট্রেন, বক, ময়ূরসহ নানা নান্দনিক স্থাপনা রয়েছে। দেশি গাঁদা, জবা, কৃষ্ণচূড়া ও মল্লিকার পাশাপাশি লিলিয়াম, ম্যাগনোলিয়া, ক্যামেলিয়াসহ বিভিন্ন বিদেশি ফুলও শোভা পাচ্ছে।

পার্কের ভেতরের বিশাল জলাশয়ে ইঞ্জিনচালিত ও প্যাডেলচালিত নৌকায় কায়াকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। দক্ষিণ পাশের জলাশয়ের ওপর দিয়ে স্থাপন করা হয়েছে জিপলাইন। দর্শনার্থীরা জিপলাইনে করে জলাশয় পার হয়ে ফুলের বাগানে যেতে পারবেন। প্রতিটি ফুলের পরিচিতি জানাতে নামসহ সাইনবোর্ড রাখা হয়েছে।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলা উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ ছাড়া ভায়োলিন শো, কাওয়ালি সন্ধ্যা, নির্বাচনের গণভোটবিষয়ক স্টল এবং মাসব্যাপী সাংস্কৃতিক আয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশে বসবাসরত ১৬টি দেশের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ সংস্কৃতি নিয়ে এই উৎসবে অংশ নেবেন। দর্শনার্থীদের জন্য ফুডকোর্ট, বসার স্থান, সেলফি কর্নার, হাঁটার উন্মুক্ত পথ, টিউলিপ গার্ডেন ও পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পার্কের মাঝখানে বিশাল পুকুরকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে সুবিশাল ফুলের বাগান। বাগানে ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, ম্যাগনোলিয়া, শিউলি, হাসনাহেনা, কামিনী, বেলিসহ নানা প্রজাতির ফুল ফুটে আছে। বাহারি ফুলের সুবাসে চারপাশ মুখরিত হয়ে উঠেছে। সন্ধ্যায় পুকুরে পানির ফোয়ারা দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করছে।
ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘ফুল উৎসব শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যাচ্ছে। এবারের উৎসবে ২০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছি।’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার চার প্রজাতির ফুল বাড়িয়ে ১৪০ প্রজাতির লক্ষাধিক দেশি-বিদেশি ফুল দিয়ে মেলা সাজানো হয়েছে। জিপলাইনসহ নতুন স্থাপনা যোগ হওয়ায় উৎসব আরও বর্ণিল হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি ফৌজদারহাট–বন্দর লিংক রোডসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দখলদারের কবল থেকে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ১৯৪ দশমিক ১৮ একর খাসজমি উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন। পরে সেখানে গড়ে তোলা হয় ডিসি পার্ক।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডিসি পার্কে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাসব্যাপী ফুল উৎসব শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আহসানুল হক।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান, সৈয়দ মাহবুবুল হক, মো. শরীফ উদ্দিন পাঠান, মো. সাইদুজ্জামান, সাখাওয়াত জামিল সৈকত ও সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মো. আহসানুল হক বলেন, ডিসি পার্কের ফুল উৎসব শুধু চট্টগ্রামের নয়, বরং সারা দেশের মানুষের জন্য আনন্দের একটি আয়োজন। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি দর্শনার্থীরা এখানে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
আয়োজকদের তথ্যমতে, চতুর্থবারের মতো আয়োজিত এবারের ফুল উৎসবে দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে ১৪০ প্রজাতির নানা রঙের বাহারি ফুল দিয়ে পুরো পার্ক সাজানো হয়েছে। মাসব্যাপী এই উৎসবে দর্শনার্থীদের প্রবেশ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। এবার ২০ লাখের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা জেলা প্রশাসনের।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ফুল ও জলাশয়ের সমন্বয়ে পার্কটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইকো সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। এতে প্রজাপতি, মৌমাছি, ফড়িং, পানকৌড়ি ও রঙিন মাছের উপস্থিতি বেড়েছে। পার্কের মূল ফটকের ভেতরে পুকুরের দুই পাড়জুড়ে ফুল দিয়ে তৈরি জায়ান্ট ফ্লাওয়ার, ট্রি হাউস, ট্রিপল হার্ট শেলফ, ট্রেন, বক, ময়ূরসহ নানা নান্দনিক স্থাপনা রয়েছে। দেশি গাঁদা, জবা, কৃষ্ণচূড়া ও মল্লিকার পাশাপাশি লিলিয়াম, ম্যাগনোলিয়া, ক্যামেলিয়াসহ বিভিন্ন বিদেশি ফুলও শোভা পাচ্ছে।

পার্কের ভেতরের বিশাল জলাশয়ে ইঞ্জিনচালিত ও প্যাডেলচালিত নৌকায় কায়াকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। দক্ষিণ পাশের জলাশয়ের ওপর দিয়ে স্থাপন করা হয়েছে জিপলাইন। দর্শনার্থীরা জিপলাইনে করে জলাশয় পার হয়ে ফুলের বাগানে যেতে পারবেন। প্রতিটি ফুলের পরিচিতি জানাতে নামসহ সাইনবোর্ড রাখা হয়েছে।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলা উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ ছাড়া ভায়োলিন শো, কাওয়ালি সন্ধ্যা, নির্বাচনের গণভোটবিষয়ক স্টল এবং মাসব্যাপী সাংস্কৃতিক আয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশে বসবাসরত ১৬টি দেশের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ সংস্কৃতি নিয়ে এই উৎসবে অংশ নেবেন। দর্শনার্থীদের জন্য ফুডকোর্ট, বসার স্থান, সেলফি কর্নার, হাঁটার উন্মুক্ত পথ, টিউলিপ গার্ডেন ও পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পার্কের মাঝখানে বিশাল পুকুরকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে সুবিশাল ফুলের বাগান। বাগানে ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, ম্যাগনোলিয়া, শিউলি, হাসনাহেনা, কামিনী, বেলিসহ নানা প্রজাতির ফুল ফুটে আছে। বাহারি ফুলের সুবাসে চারপাশ মুখরিত হয়ে উঠেছে। সন্ধ্যায় পুকুরে পানির ফোয়ারা দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করছে।
ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘ফুল উৎসব শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যাচ্ছে। এবারের উৎসবে ২০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছি।’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার চার প্রজাতির ফুল বাড়িয়ে ১৪০ প্রজাতির লক্ষাধিক দেশি-বিদেশি ফুল দিয়ে মেলা সাজানো হয়েছে। জিপলাইনসহ নতুন স্থাপনা যোগ হওয়ায় উৎসব আরও বর্ণিল হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি ফৌজদারহাট–বন্দর লিংক রোডসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দখলদারের কবল থেকে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ১৯৪ দশমিক ১৮ একর খাসজমি উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন। পরে সেখানে গড়ে তোলা হয় ডিসি পার্ক।

চানন্দী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী করিম বাজার–দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
৩৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের সব কটিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাঁদের আয় ও সম্পদের চিত্র।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না এসব অটোরিকশাচালক। পুলিশের সামনেই তাঁরা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, যত্রতত্র যাত্রী তুলছেন-নামাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট।
৫ ঘণ্টা আগে