
রাজধানীর সায়েদাবাদে মাদক কারবারিদের গুলিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (খিলগাঁও জোন) এক পরিদর্শক আহত হয়েছেন। তাঁর নাম ছিদ্দিকুর রহমান (৪০)। আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের পেছনে রেললাইনে এই ঘটনা ঘটে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোপলিটন দক্ষিণের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান জানান, ছিদ্দিকুর রহমান খিলগাঁও জোনে কর্মরত। ঢাকা দক্ষিণের সাতটি ইউনিট আজ মাদকবিরোধী অভিযানে বের হন। সকালে দয়াগঞ্জ এলাকায় অভিযান শেষে সায়েদাবাদ এলাকায় যান তিনি।
তিনি আরও জানান, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের পেছনে রেললাইনের পাশে কয়েকজন মাদক কারবারিকে শনাক্ত করে তাদের একজনকে জাপটে ধরে ছিদ্দিকুর। এ সময় মাসুম নামে এক মাদক কারবারি তার পকেটে থাকা পিস্তল বের করে কয়েকটি গুলি ছুড়ে। এ সময় একটি গুলি ছিদ্দিকুরের বাঁ পায়ের একপাশ দিয়ে ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে সহকর্মীরা উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, ছিদ্দিকুরের বাঁ পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তবে গুলিটি অন্য পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেছে। তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত।

অবৈধভাবে ইতালি যাবার পথে দালালদের ৬০ লাখ টাকা দিয়েও মুক্তি মেলেনি সোহাগ মুন্সীর। আরও ২৭ লাখ টাকা দিতে দেরি হওয়ায় গুলি করে হত্যার পর গুম করা হয়েছে তার মরদেহ। এই খবর পেয়ে নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। প্রিয় সন্তানের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।
৯ মিনিট আগে
প্রবেশপত্রের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে শাহরাস্তি চিশতিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করেছে শিক্ষার্থীরা। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে টাকা ফেরতের আশ্বাস দিলে তাঁকে অবমুক্ত করা হয়। তবে অধ্যক্ষের দাবি, আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিছু পরীক্ষার্থীর ব্যয় সমন্বয়ের উদ্দেশে অতিরিক্ত টাকা আদায়
১৬ মিনিট আগে
সিলেট নগরীর মীরের ময়দান এলাকায় ব্লু বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মুরাদ আহমদ সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ বেতারের সামনের সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত অবস্থায় তাঁকে ওসমানী মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৩০ মিনিট আগে
নরসিংদীর রায়পুরায় একই নাম ও একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনাক্তকরণ নম্বর (ইআইআইএন) ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এতে প্রশাসনিক জটিলতার পাশাপাশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। একই পরিচয়ে দুটি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম, বোর্ডের তথ্য, সরকারি...
৩৬ মিনিট আগে