ভরা মৌসুমেও মেঘনা নদীতে ইলিশ পাচ্ছেন না মতলব উত্তর উপজেলার জেলেরা। দিনরাত নদীতে জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছে না। মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন তাঁরা। যে পরিমাণ পাচ্ছেন এতে লাভ দূরে থাক, নৌকার জ্বালানি তেলের খরচই উঠছে না। এতে মাছ শিকারে যেতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন জেলেরা।
জেলেরা বলছেন, অভাব-অনটন আর অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তাঁরা। কাঙ্ক্ষিত ইলিশের আশায় ধার দেনা আর এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে জাল বানিয়ে ও নৌকা মেরামত করলেও সেই ঋণ পরিশোধ নিয়ে অনেকটাই বিপাকে পড়েছেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, গত চার বছর ধরে ইলিশের উৎপাদন এবং আহরণ ভালো হয়েছে। প্রতি বছর ইলিশ আহরণ ও লক্ষ্যমাত্রার মাত্রা বাড়লেও এ বছর ভরা মৌসুমে ইলিশের প্রাপ্যতা এখন পর্যন্ত কম থাকায় হতাশ জেলেরা।
জানা গেছে, নদীতে ইলিশ ধরার ওপর নির্ভরশীল মতলব উত্তর উপজেলার আট সহস্রাধিক জেলে। মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন জাল ও নৌকা-ট্রলার নিয়ে নদীতে নেমে পড়েন তাঁরা। কিন্তু চলতি ভরা মৌসুমে সারা দিন জাল বেয়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী ইলিশ পাচ্ছেন না তাঁরা। এতে মাছ শিকারে গিয়ে যে খরচ হয় এর অর্ধেকও উঠছে না আহরিত ইলিশ বিক্রির টাকায়। এতে চরম সংকটে পড়েছেন জেলেরা। ধারদেনা আর ঋণ পরিশোধের চিন্তায় চরম হতাশায় ভুগছেন।
জেলে আলী আরশাদ, ফুলচান বর্মন ও চাঁদ বর্মন, নুরুল হক বলেন, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম কিন্তু নদীতে ইলিশ নেই। সারা দিন নদীতে জাল ফেলেও মাছ পাচ্ছেন না। এমন অবস্থায় সুদে ধার-দেনা আর এনজিওর ঋণ কীভাবে শোধ করবেন সে চিন্তায় রাতে ঘুমাতে পারছেন না।
ইউসুফ কবিরাজ নামের এক জেলে বলেন, সমিতি থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে নৌকা ও জাল তৈরি করেছি। বর্তমানে নদীতে জাল ফেললেও পাওয়া যাচ্ছে না ইলিশ। কিস্তির টাকা ও দৈনিক খরচ নিয়ে অনেক কষ্টে আছি।
এদিকে ইলিশ সংকটে শুধু জেলেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এমনটা নয়। আড়তদারদেরও চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ। বিগত সময় এমন দিনে ইলিশের সরবরাহ বেশি থাকলেও এবার তা অনেক কমে গেছে বলে জানান তাঁরা।
ইলিশা ঘাটের আড়তদার দেলু বেপারী বলেন, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। অন্যান্য বছরের এই সময়ে প্রচুর ইলিশ পাওয়া গেলেও বর্তমানে ইলিশের তেমন দেখা নেই। নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে খুবই কম।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাশ বলেন, এখন ইলিশ একটু কম পাওয়া যাচ্ছে। নদীতে ডুবোচর সৃষ্টি হওয়া, তলদেশে খাদ্য কমে যাওয়া এবং পানি দূষণের কারণে পদ্মা, মেঘনা নদীতে ইলিশের বিচরণ কিছুটা কমেছে।

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী হতে ৩৮ জন মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নির্বাচন কমিশনে আপিলের পর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ১৩ জন। এখন রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থী ৩২ জন।
১ ঘণ্টা আগে
জীবনের প্রতি ক্রমবর্ধমান বিতৃষ্ণা, হতাশা আর অনিশ্চয়তা মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে চরম সিদ্ধান্তের দিকে। সামাজিক বন্ধন দুর্বল হওয়া, পারিবারিক উষ্ণতার অভাব, অর্থনৈতিক চাপ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবহেলা মিলিয়ে আত্মহত্যা যেন অনেকের কাছে ‘শেষ মুক্তির পথ’ হয়ে উঠছে।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে অস্ত্র কারবারিরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর সীমান্তপথে বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের আনাগোনা। প্রায় প্রতিদিনই ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র। পরিস্থিতি সামাল দিতে জড়িতদের তালিকা করে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের সিদ্ধান্তে ঢাকা-১৯ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে। তবে জোটের আরেক শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেনি। ফলে প্রার্থী না থাকলেও জামায়াতের ভোট কোন বাক্সে গিয়ে পড়বে...
২ ঘণ্টা আগে