
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চলমান অক্সিজেন প্ল্যান্ট কারখানাগুলোর অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে গঠিত ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটি আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ছোট কুমিরা (মগপুকুর) এলাকায় অবস্থিত জিপিএইচ কারখানায় প্রথম দিনের পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেছেন।
এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম দুলালকে সভাপতি করে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক কুতুব উদ্দিন, মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ ও ফখরুদ্দিন। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তবে তদন্ত কমিটি গঠনের আগে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল হামিদ মিয়ার নেতৃত্বে পরিদর্শক কুতুবউদ্দিনসহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা সোমবার বিকেলে উপজেলার বেশ কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কন্টেইনার ডিপো পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন।
তদন্ত কমিটির সভাপতি ও সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম দুলাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্ট বিস্ফোরণের পর সীতাকুণ্ডে চলমান অন্যান্য অক্সিজেন প্ল্যান্টের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এ কারণে মঙ্গলবার দুপুরে তারা জিপিএইচ কারখানার অক্সিজেন প্ল্যান্ট পরিদর্শন করছেন। কারখানাটি পরিদর্শন শেষে তারা বিকেল পর্যন্ত উপজেলার আরও বেশ কয়েকটি কারখানা পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনকালে কোন কারখানা অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও কোন কারখানা কম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে তালিকা প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
নুরুল আলম দুলাল আরও বলেন, শুধু অক্সিজেন প্ল্যান্ট কারখানা নয়, সীতাকুণ্ড ও মিরসরাইয়ে গড়ে ওঠা প্রতিটি শিল্প কারখানা পরিদর্শন করে আগামী এক মাসের মধ্যে তালিকা তৈরি করবেন। পরে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন আকারে দাখিল করবেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ জুন সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে ৫১ জনের প্রাণহানি ও ২৩০ জনেরও অধিক মানুষ আহতের ঘটনায় ঘটে। এ ঘটনার পর সীতাকুণ্ডের কারখানাগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বলতা চিত্র সহ নানা ধরনের অসংগতি ফুটে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সর্বমহলে সমালোচনার গুঞ্জন উঠলে কারখানায় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। তারা সীতাকুণ্ডের ২৩টি কনটেইনার ডিপো পরিদর্শনের পাশাপাশি সেগুলোর ফায়ার সেফটি প্ল্যান বাস্তবায়নে জোর তাগিদ দেন। এ ঘটনার পর বিএম কনটেইনার ডিপোসহ বেশ কয়েকটি ডিপোতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে কাজ করলেও অনেক ডিপো কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসের জুড়ে দেওয়া অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে এখনো কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
সর্বশেষ গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কদমরসুল (কেশবপুর) এলাকায় সীমা অক্সিজেন কারখানার প্ল্যান্টের এয়ার সেপারেশন কলাম বিস্ফোরণে সাতজনের প্রাণহানি ও ৩০ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনার পর সীতাকুণ্ডের ৩৬০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মিরসরাইয়ের সকল শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেন ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে