ফেনী প্রতিনিধি

শিশু নাশিতকে অপহরণ করে নিজের ফেসবুক আইডিতে তার সন্ধান চেয়ে পোস্ট করেন হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছাত্রদল নেতা আশরাফ হোসেন চৌধুরী তুষার। তিন দিন আগে নাশিত অপহরণের একদিন পর নিজের ফেসবুক আইডিতে নাশিতের ভাই নিশাতের পোস্ট শেয়ার করে তুষার লিখেন, ‘আপনারা কেউ যদি আমার ছোট ভাইটার সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে অতি দ্রুত যোগাযোগ করুন।’
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর শহরতলির দেওয়ানগঞ্জ রেললাইন সংলগ্ন ডোবা থেকে আহনাফ আল মাঈন নাশিতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারপর থেকে এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তুষারকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
গ্রেপ্তার তুষার অপহরণের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নাশিতের বাবা ও ভাইয়ের দুইটি পোস্টসহ মোট তিনটি পোস্ট শেয়ার করে সন্ধান চান। যেখানে তুষার লেখেন, ‘আল্লাহ আপনার রহমতের অছিলায় আমাদের ছোট ভাইটাকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।’ অন্যটিতে লেখেন, ‘আপনারা কেউ যদি আমার ছোট ভাইটার সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে অতি দ্রুত যোগাযোগ করুন।’
তুষার শহরের একাডেমি এলাকার আতিকুল আলম সড়কের ইকবাল হোসেনের ছেলে। তিনি ফেনী পৌর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তুষার আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সহ-প্রচার সম্পাদক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ডিসেম্বর শহরের একাডেমি এলাকার আতিকুল আলম সড়কে লাইট হাউসে কোচিং ক্লাস শেষ করে স্থানীয় বায়তুল খায়ের জামে মসজিদে নামাজ পড়তে যায় নাশিত। নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে পূর্বপরিচিত আসামি তুষার ও তার সহযোগীরা নাশিতকে অপহরণ করে দেওয়ানগঞ্জ এলাকায় নিয়ে জুসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করেন। পরে নাশিতের ছবি তুলে তার বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তারা। একপর্যায়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ রেললাইনের পাশে ডোবায় ফেলে দেন। মরদেহ যেন পানিতে ভেসে না ওঠে সে জন্য ওই শিক্ষার্থীর স্কুল ব্যাগে পাথর ভরে চাপা দেন তারা।
ফেনীর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তুষারের সম্পর্ক নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সঙ্গে ছবি ও ঘনিষ্ঠতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খন্দকার বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে অন্যদের মতো তুষারও আমার কাছে আসত। সেই সুবাদে আমার সঙ্গে ছবি তুলেছে। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে আমার জানা নেই।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন বলেন, ‘তুষার ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকলেও বর্তমানে কোনো পদ-পদবিতে নেই। এমনিতে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতেন। আমরা কোনো অপরাধমূলক কাজের পক্ষে না। আমরা তাঁর শাস্তির দাবি করছি।’

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নাশিতের বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগ গত ৯ ডিসেম্বর ফেনী মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তারপর দুই দিন ধরে একটি মোবাইল নম্বর থেকে নাশিতের বাবাকে কল করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে গতকাল রাতে নিহতের বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগ পুলিশকে তুষার নামে এক কিশোরকে সন্দেহের কথা জানান। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতে তুষারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলে তার দেওয়া তথ্যমতে দেওয়ানগঞ্জ এলাকার একটি ডোবা থেকে নাশিতের স্কুল ব্যাগসহ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তাররা অন্যরা হলেন—মোবারক হোসেন ওয়াসিম (২০) ও ওমর ফারুক রিফাত (২০)।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাশিত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে শহরের ট্রাংক রোড থেকে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করে ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। তার আগে, বাদ মাগরিব ফেনী জিএ একাডেমি স্কুল মাঠে প্রথম জানাজা ও রাত ৯টায় ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের জয়পুর আনসার আলী ফকির জামে মসজিদ মাঠে জানাজা শেষে নাশিতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিহত নাশিত ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার সদর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের আনসার আলী ফকির বাড়ির মাঈন উদ্দিন সোহাগের ছোট ছেলে। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ফেনী পৌরসভার একাডেমি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত নাশিত।

শিশু নাশিতকে অপহরণ করে নিজের ফেসবুক আইডিতে তার সন্ধান চেয়ে পোস্ট করেন হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছাত্রদল নেতা আশরাফ হোসেন চৌধুরী তুষার। তিন দিন আগে নাশিত অপহরণের একদিন পর নিজের ফেসবুক আইডিতে নাশিতের ভাই নিশাতের পোস্ট শেয়ার করে তুষার লিখেন, ‘আপনারা কেউ যদি আমার ছোট ভাইটার সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে অতি দ্রুত যোগাযোগ করুন।’
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর শহরতলির দেওয়ানগঞ্জ রেললাইন সংলগ্ন ডোবা থেকে আহনাফ আল মাঈন নাশিতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারপর থেকে এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তুষারকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
গ্রেপ্তার তুষার অপহরণের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নাশিতের বাবা ও ভাইয়ের দুইটি পোস্টসহ মোট তিনটি পোস্ট শেয়ার করে সন্ধান চান। যেখানে তুষার লেখেন, ‘আল্লাহ আপনার রহমতের অছিলায় আমাদের ছোট ভাইটাকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।’ অন্যটিতে লেখেন, ‘আপনারা কেউ যদি আমার ছোট ভাইটার সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে অতি দ্রুত যোগাযোগ করুন।’
তুষার শহরের একাডেমি এলাকার আতিকুল আলম সড়কের ইকবাল হোসেনের ছেলে। তিনি ফেনী পৌর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তুষার আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সহ-প্রচার সম্পাদক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ডিসেম্বর শহরের একাডেমি এলাকার আতিকুল আলম সড়কে লাইট হাউসে কোচিং ক্লাস শেষ করে স্থানীয় বায়তুল খায়ের জামে মসজিদে নামাজ পড়তে যায় নাশিত। নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে পূর্বপরিচিত আসামি তুষার ও তার সহযোগীরা নাশিতকে অপহরণ করে দেওয়ানগঞ্জ এলাকায় নিয়ে জুসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করেন। পরে নাশিতের ছবি তুলে তার বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তারা। একপর্যায়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ রেললাইনের পাশে ডোবায় ফেলে দেন। মরদেহ যেন পানিতে ভেসে না ওঠে সে জন্য ওই শিক্ষার্থীর স্কুল ব্যাগে পাথর ভরে চাপা দেন তারা।
ফেনীর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তুষারের সম্পর্ক নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সঙ্গে ছবি ও ঘনিষ্ঠতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খন্দকার বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে অন্যদের মতো তুষারও আমার কাছে আসত। সেই সুবাদে আমার সঙ্গে ছবি তুলেছে। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে আমার জানা নেই।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন বলেন, ‘তুষার ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকলেও বর্তমানে কোনো পদ-পদবিতে নেই। এমনিতে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতেন। আমরা কোনো অপরাধমূলক কাজের পক্ষে না। আমরা তাঁর শাস্তির দাবি করছি।’

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নাশিতের বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগ গত ৯ ডিসেম্বর ফেনী মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তারপর দুই দিন ধরে একটি মোবাইল নম্বর থেকে নাশিতের বাবাকে কল করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে গতকাল রাতে নিহতের বাবা মাঈন উদ্দিন সোহাগ পুলিশকে তুষার নামে এক কিশোরকে সন্দেহের কথা জানান। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতে তুষারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলে তার দেওয়া তথ্যমতে দেওয়ানগঞ্জ এলাকার একটি ডোবা থেকে নাশিতের স্কুল ব্যাগসহ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তাররা অন্যরা হলেন—মোবারক হোসেন ওয়াসিম (২০) ও ওমর ফারুক রিফাত (২০)।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাশিত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে শহরের ট্রাংক রোড থেকে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করে ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। তার আগে, বাদ মাগরিব ফেনী জিএ একাডেমি স্কুল মাঠে প্রথম জানাজা ও রাত ৯টায় ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের জয়পুর আনসার আলী ফকির জামে মসজিদ মাঠে জানাজা শেষে নাশিতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিহত নাশিত ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার সদর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের আনসার আলী ফকির বাড়ির মাঈন উদ্দিন সোহাগের ছোট ছেলে। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ফেনী পৌরসভার একাডেমি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত নাশিত।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজ ছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩ টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
১২ মিনিট আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৮ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৮ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে