চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নুরুল কবির সাদ নামের এক শিক্ষার্থীকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে বেধড়ক মারধর করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্জন এলাকায় নিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। সাদ ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে কথা-কাটাকাটি নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের সামনে থেকে মুখ বেঁধে ওই শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জীববিজ্ঞান অনুষদের পেছনের নির্জন এলাকায় নিয়ে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে চবি মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চবি ছাত্রলীগের উপ-গ্রুপ বিজয়ের কর্মী হিসেবে সোহরাওয়ার্দী হলে থাকতেন বলে জানা গেছে। তবে ছাত্রদলের নেতারা সাদকে তাঁদের কর্মী বলে দাবি করেছেন।

চবি মেডিকেলের দায়িত্বরত চিকিৎসক কে এম আতাউল গনি বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রকে রাত ১০টার দিকে এখানে আনা হয়েছিল। ডান পায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ছাড়া পিঠে একটা আঘাতের চিহ্ন ছিল। এক্স-রে করার জন্য তাঁকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
চবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন বলেন, ‘সাদ ছাত্রদলের কর্মী। তবে তার চেয়ে বড় পরিচয় সে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সন্ত্রাসীরা একজন শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর করেছে, এটা স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি জড়িতদের শনাক্ত করতে। খুব দ্রুতই সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নুরুল কবির সাদ নামের এক শিক্ষার্থীকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে বেধড়ক মারধর করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্জন এলাকায় নিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। সাদ ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে কথা-কাটাকাটি নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের সামনে থেকে মুখ বেঁধে ওই শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জীববিজ্ঞান অনুষদের পেছনের নির্জন এলাকায় নিয়ে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে চবি মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চবি ছাত্রলীগের উপ-গ্রুপ বিজয়ের কর্মী হিসেবে সোহরাওয়ার্দী হলে থাকতেন বলে জানা গেছে। তবে ছাত্রদলের নেতারা সাদকে তাঁদের কর্মী বলে দাবি করেছেন।

চবি মেডিকেলের দায়িত্বরত চিকিৎসক কে এম আতাউল গনি বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রকে রাত ১০টার দিকে এখানে আনা হয়েছিল। ডান পায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ছাড়া পিঠে একটা আঘাতের চিহ্ন ছিল। এক্স-রে করার জন্য তাঁকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
চবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন বলেন, ‘সাদ ছাত্রদলের কর্মী। তবে তার চেয়ে বড় পরিচয় সে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সন্ত্রাসীরা একজন শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর করেছে, এটা স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি জড়িতদের শনাক্ত করতে। খুব দ্রুতই সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে