কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) চাকরির আড়ালে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এনে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের মধ্যে সরবরাহ করতেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীসংলগ্ন ৬ নম্বর জেটিঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার যুবকের নাম—মো. আরিফ উল্লাহ। তিনি মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকার বাসিন্দা।
আরিফ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের কর্মী হিসেবে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত।
কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মহেশখালী থেকে অস্ত্রের চালান আসার খবর পেয়ে ৬ নম্বর জেটিতে পুলিশের একটি দল অবস্থান নেয়। সোমবার সন্ধ্যায় কাঁধে ব্যাগ বহন করা সন্দেহজন এক যুবককে ঘিরে ফেলা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরিফ উল্লাহ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে ধাওয়া দিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তাঁর ব্যাগ তল্লাশি করে দুটি বন্দুক জব্দ করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে চাকরির আড়ালে ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্রের চালান জোগান দিয়ে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। এর আগে বেশ কয়েকটি অস্ত্রের চালান রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের সরবরাহ করেছেন তিনি।’
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে এসব অস্ত্র সংগ্রহ করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন আরিফ। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে কক্সবাজার সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।’

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) চাকরির আড়ালে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এনে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের মধ্যে সরবরাহ করতেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীসংলগ্ন ৬ নম্বর জেটিঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার যুবকের নাম—মো. আরিফ উল্লাহ। তিনি মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকার বাসিন্দা।
আরিফ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের কর্মী হিসেবে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত।
কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মহেশখালী থেকে অস্ত্রের চালান আসার খবর পেয়ে ৬ নম্বর জেটিতে পুলিশের একটি দল অবস্থান নেয়। সোমবার সন্ধ্যায় কাঁধে ব্যাগ বহন করা সন্দেহজন এক যুবককে ঘিরে ফেলা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরিফ উল্লাহ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে ধাওয়া দিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তাঁর ব্যাগ তল্লাশি করে দুটি বন্দুক জব্দ করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে চাকরির আড়ালে ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্রের চালান জোগান দিয়ে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। এর আগে বেশ কয়েকটি অস্ত্রের চালান রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের সরবরাহ করেছেন তিনি।’
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে এসব অস্ত্র সংগ্রহ করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন আরিফ। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে কক্সবাজার সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেয়েছেন গেজেটভুক্ত ৯ জুলাই যোদ্ধা। তাঁদেরকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ)। গত ১২ জানুয়ারি তাঁদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের বাড়ি ও জমি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আদেশ দেন দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ নগরীতে পুলিশ সদস্যদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলাম নামের এক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর দিগারকান্দা ফিশারিজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা
১ ঘণ্টা আগে
তিন দিন ধরে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে কুমির বিচরণ করতে দেখা গেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীরবর্তী এলাকায় নদীতে কখনো সকালে, কখনো দুপুরে কুমির ভেসে উঠছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। হঠাৎ পদ্মায় কুমির বিচরণের খবর শুনে তা দেখতে নদীতীরে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
১ ঘণ্টা আগে