সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের জন্মভিটা সংরক্ষণের দাবিতে প্রতিবাদ সভা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সরাইল ইতিহাস সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।
এ সময় বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, ভাইস চেয়ারম্যান আবু হানিফ, অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বদর উদ্দিন, সাবেক প্রধান শিক্ষক ও প্রেসক্লাবের সভাপতি আইয়ুব খান, প্রভাষক মাহবুব খান, বেলাল শামস, শিক্ষক শাসমুল আলম, দেওয়ার রওশন আরা, সমাজকর্মী সুমন পারভেজ, ফয়সাল আহমেদ, জাকির হোসেন, সাংবাদিক শফিকুর রহমান প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, উল্লাসকর দত্তের বাড়ি উপজেলার কালীকচ্ছে অবস্থিত। সেখানে তাঁর যে পৈত্রিক বাড়ি রয়েছে তাঁর বয়স ১৫০ থেকে ২০০ বছর। পুরো বাড়ির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ ফুট ও প্রস্থ ২০ ফুট। এই বাড়িটি এখন ইতিহাসের অংশ। এ বাড়ি ধ্বংস করতে দখলদাররা নতুন ভবন নির্মাণ করছেন। তাই বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের জন্মভিটা সংরক্ষণ ও নতুন ভবন নির্মাণকাজ বন্ধের দাবি জানান বক্তারা।
একই দাবিতে গত ২১ ও ১৬ নভেম্বর উল্লাসকর দত্তের বাড়ির সামনে মানববন্ধন ও ১৭ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরে ওই দিনই সরাইল উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহানা নাসরিন সরেজমিন গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার থেকে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ সরওয়ার উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই বাড়ির নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের জন্মভিটা সংরক্ষণের দাবিতে প্রতিবাদ সভা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সরাইল ইতিহাস সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।
এ সময় বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, ভাইস চেয়ারম্যান আবু হানিফ, অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বদর উদ্দিন, সাবেক প্রধান শিক্ষক ও প্রেসক্লাবের সভাপতি আইয়ুব খান, প্রভাষক মাহবুব খান, বেলাল শামস, শিক্ষক শাসমুল আলম, দেওয়ার রওশন আরা, সমাজকর্মী সুমন পারভেজ, ফয়সাল আহমেদ, জাকির হোসেন, সাংবাদিক শফিকুর রহমান প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, উল্লাসকর দত্তের বাড়ি উপজেলার কালীকচ্ছে অবস্থিত। সেখানে তাঁর যে পৈত্রিক বাড়ি রয়েছে তাঁর বয়স ১৫০ থেকে ২০০ বছর। পুরো বাড়ির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ ফুট ও প্রস্থ ২০ ফুট। এই বাড়িটি এখন ইতিহাসের অংশ। এ বাড়ি ধ্বংস করতে দখলদাররা নতুন ভবন নির্মাণ করছেন। তাই বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের জন্মভিটা সংরক্ষণ ও নতুন ভবন নির্মাণকাজ বন্ধের দাবি জানান বক্তারা।
একই দাবিতে গত ২১ ও ১৬ নভেম্বর উল্লাসকর দত্তের বাড়ির সামনে মানববন্ধন ও ১৭ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরে ওই দিনই সরাইল উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহানা নাসরিন সরেজমিন গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার থেকে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ সরওয়ার উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই বাড়ির নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৫ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে