নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

াষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চট্টগ্রামে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন আবেদন নামঞ্জুরকে ঘিরে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় ৬৩ আইনজীবীকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সরকার হাসান শাহরিয়ার তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণপূর্বক জামিন আবেদন করেন। পরে এক ঘণ্টা ধরে শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। এর মধ্যে একজন আইনজীবী রয়েছেন, যিনি একই ঘটনায় দায়ের হওয়া পৃথক আরেকটি মামলার আসামি। তাঁকেও দুই মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন ঘিরে গত ২৬ নভেম্বর আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষের ঘটনায় যে মামলা হয়েছে, সেই মামলার আসামি ৬৩ জন আইনজীবী আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। এক হাজার টাকার বন্ডে আদালত মামলার চার্জশিট দায়ের না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’
আসামি পক্ষের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শুভ্রজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘মামলাটি ছিল মূলত আমাদের নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বড় ভাইয়ের করা ভাঙচুর এবং বিস্ফোরক আইনের মামলা। এখানে ৬৩ জন আইনজীবীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যাঁরা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। আদালতকে আমরা আমাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছি। এতে বিজ্ঞ আদালত সন্তুষ্ট হয়ে এই মামলার চার্জশিট না হওয়া পর্যন্ত ৬৩ জন আইনজীবীকে জামিন দিয়েছেন।’
এদিকে আদালতের আদেশের পরপরই আইনজীবীদের একাংশ আদালত চত্বরে ‘নারায়ে তকবির, আল্লাহু আকবর, ইসকনের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান, আলিফ ভাই কবরে খুনি কেন বাইরে’—এ ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তাঁরা আসামি আইনজীবীদের জামিন দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। তবে আগে থেকে আদালত এলাকায় পুলিশের কড়া নিরাপত্তা জোরদার থাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
সকাল থেকে আদালতে প্রবেশের দুটি পথেই চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। চেকপোস্টে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আদালত এলাকায় যেতে দেয়। ব্যক্তিগত কোনো গাড়ি ছাড়া অন্যান্য যানবাহন আসা-যাওয়ার ওপর কড়াকড়ি আরোপ ছিল। আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে এজলাস পর্যন্ত দুপাশে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাসদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ নিয়ে বিক্ষোভ করেন সনাতনীরা। ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল সনাতনী আইনজীবীরা। এর আগে তাঁরা চিন্ময়ের হয়ে জামিন শুনানিতে অংশ নেন। বিক্ষোভের একটি পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ভাঙচুর করা হয় বিভিন্ন স্থাপনা। সংঘর্ষ চলাকালে আদালতের অদূরে মেথরপট্টি এলাকায় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে চট্টগ্রাম আদালতের এক আইনজীবীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এসব ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় হত্যাসহ পৃথক ছয়টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ১১৬ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের ভাই খানে আলম। ওই মামলায় ৬৩ জন সনাতনী আইনজীবীকে আসামি করা হয়। মামলার পর আত্মগোপনে থাকেন অভিযুক্তরা।
মামলার আসামিদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মহানগর পূজা পরিষদের সাবেক সভাপতি চন্দন কুমার তালুকদার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী নিতাই প্রসাদ ঘোষ, মহানগর পূজা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী নিখিল কুমার নাথ, আইনজীবী চন্দন দাশ, রুবেল পাল, সুমন আচার্য্য, আশীর্বাদ কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

াষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চট্টগ্রামে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন আবেদন নামঞ্জুরকে ঘিরে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় ৬৩ আইনজীবীকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সরকার হাসান শাহরিয়ার তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণপূর্বক জামিন আবেদন করেন। পরে এক ঘণ্টা ধরে শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। এর মধ্যে একজন আইনজীবী রয়েছেন, যিনি একই ঘটনায় দায়ের হওয়া পৃথক আরেকটি মামলার আসামি। তাঁকেও দুই মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন ঘিরে গত ২৬ নভেম্বর আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষের ঘটনায় যে মামলা হয়েছে, সেই মামলার আসামি ৬৩ জন আইনজীবী আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। এক হাজার টাকার বন্ডে আদালত মামলার চার্জশিট দায়ের না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’
আসামি পক্ষের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শুভ্রজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘মামলাটি ছিল মূলত আমাদের নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বড় ভাইয়ের করা ভাঙচুর এবং বিস্ফোরক আইনের মামলা। এখানে ৬৩ জন আইনজীবীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যাঁরা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। আদালতকে আমরা আমাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছি। এতে বিজ্ঞ আদালত সন্তুষ্ট হয়ে এই মামলার চার্জশিট না হওয়া পর্যন্ত ৬৩ জন আইনজীবীকে জামিন দিয়েছেন।’
এদিকে আদালতের আদেশের পরপরই আইনজীবীদের একাংশ আদালত চত্বরে ‘নারায়ে তকবির, আল্লাহু আকবর, ইসকনের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান, আলিফ ভাই কবরে খুনি কেন বাইরে’—এ ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তাঁরা আসামি আইনজীবীদের জামিন দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। তবে আগে থেকে আদালত এলাকায় পুলিশের কড়া নিরাপত্তা জোরদার থাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
সকাল থেকে আদালতে প্রবেশের দুটি পথেই চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। চেকপোস্টে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আদালত এলাকায় যেতে দেয়। ব্যক্তিগত কোনো গাড়ি ছাড়া অন্যান্য যানবাহন আসা-যাওয়ার ওপর কড়াকড়ি আরোপ ছিল। আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে এজলাস পর্যন্ত দুপাশে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাসদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ নিয়ে বিক্ষোভ করেন সনাতনীরা। ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল সনাতনী আইনজীবীরা। এর আগে তাঁরা চিন্ময়ের হয়ে জামিন শুনানিতে অংশ নেন। বিক্ষোভের একটি পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ভাঙচুর করা হয় বিভিন্ন স্থাপনা। সংঘর্ষ চলাকালে আদালতের অদূরে মেথরপট্টি এলাকায় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে চট্টগ্রাম আদালতের এক আইনজীবীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এসব ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় হত্যাসহ পৃথক ছয়টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ১১৬ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের ভাই খানে আলম। ওই মামলায় ৬৩ জন সনাতনী আইনজীবীকে আসামি করা হয়। মামলার পর আত্মগোপনে থাকেন অভিযুক্তরা।
মামলার আসামিদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মহানগর পূজা পরিষদের সাবেক সভাপতি চন্দন কুমার তালুকদার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী নিতাই প্রসাদ ঘোষ, মহানগর পূজা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী নিখিল কুমার নাথ, আইনজীবী চন্দন দাশ, রুবেল পাল, সুমন আচার্য্য, আশীর্বাদ কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৯ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে