
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মানববন্ধন ও মশাল মিছিল করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মিনারে ‘চবি রংপুর ডিভিশন স্টুডেন্টস ইউনিটি’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পরে মশাল মিছিল নিয়ে শহীদ মিনার থেকে জিরো পয়েন্টে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ‘ভারত যদি বন্ধু হও, তিস্তার ন্যায্য হিস্যা দাও’, ‘তিস্তাপাড়ের কান্না, আর না আর না’, ‘উত্তরের এই বৈষম্য, মানি না মানব না’, ‘হিসাবমতো তিস্তার পানি, বুঝে দাও বুঝে দাও’, জাগো বাহে কোনঠে সবাই, আইসো মিলে তিস্তা বাঁচাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও চবির গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মুক্তাদির রহমান মুনিম বলেন, ‘তিস্তার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে শুধু উত্তরবঙ্গের মানুষ উপকৃত হবে, এমনটা নয়, বরং এর মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে একটি কৃষিবিপ্লব করা সম্ভব হবে। ফলে পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে, উপকৃত হবে বাংলাদেশের মানুষ। সরকারের কাছে দাবি, খুব দ্রুতই তিস্তার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হোক।’
চাকসুর নবনির্বাচিত জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, তিস্তা নিয়ে যে মহাপরিকল্পনা করা হয়েছিল, আজ পর্যন্ত সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। সরকারের কাছে জোরালো দাবি, তিস্তার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অতি দ্রুত প্রকাশ করতে হবে।
সাঈদ বিন হাবিব আরও বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে যত চুক্তি করা হয়েছে, সেগুলো দেশের মানুষের সামনে প্রকাশ করতে হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী সব চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
মানববন্ধনে উত্তর জেলার শিক্ষার্থী, চাকসুর নির্বাচন প্রতিনিধিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফাল্গুন-চৈত্র এলেই যেন আগুনের ঋতু নেমে আসে গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের অধীনে ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিস্তীর্ণ সবুজে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে রহস্যময় আগুনে। প্রতিবছর গ্রাস করে শত শত একর বনভূমি। পুড়ে ছাই হয় শুধু গাছপালা নয়, হারিয়ে যায় বন্য প্রাণী...
১ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের অঞ্চলগুলোতে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। তবে ফেরার পথে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। অভিযোগ উঠেছে, গণপরিবহন ও জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে একশ্রেণির পরিবহনশ্রমিক ও সিন্ডিকেট যাত্রীদের...
১ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে হত্যা, হামলা ও সহিংসতার অভিযোগে আদালতে করা মামলাগুলোতে আসামি করা ব্যক্তিদের বড় অংশই তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত তদন্ত শেষ হওয়া ৮২টি মামলার প্রায় ৬৩ শতাংশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ঈদ মৌসুমে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেশি থাকলেও ডিলার ও পাম্প পর্যায়ে ২৫ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তিন অঙ্গপ্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি। এ কারণে এবার ঈদের আগে-পরে যানবাহনে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে বলে দাবি এই খাতসংশ্লিষ্টদের।
২ ঘণ্টা আগে