ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে অন্য ব্যবসায়ীদের প্রায় আট কোটি টাকা পাওনা পরিশোধ না করে ভোগ্যপণ্যের বৃহত্তম বাজার খাতুনগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর গা-ঢাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম আব্দুর রহিম। তাঁর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ার মনসা এলাকায় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে খাতুনগঞ্জের আমির মার্কেটে গম, তেল, চিনিসহ ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা করে আসছেন। বাজারের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য কিনেছেন। কিন্তু গত সোমবার থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, আব্দুর রহিমের কাছে খাতুনগঞ্জের কমপক্ষে ১০ ব্যবসায়ীর আট কোটি টাকা বকেয়া আটকে রয়েছে। এই পাওনা না দিতে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বকেয়া, অর্থাৎ প্রায় চার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে মেসার্স হাসান ব্রাদার্সের। এ ছাড়া মেসার্স চন্দ্রিমা এন্টারপ্রাইজ, সিটি কমিডিটিস, মেসার্স শাকিল এন্টারপ্রাইজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান মিলে প্রায় আট কোটি টাকা আটকে গেছে।
আব্দুর রহিমের কাছে পাওনা আটকে রয়েছে এমন এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির কাছে গম বিক্রি বাবদ আমাদের অর্ধকোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। পণ্য বিক্রির বিপরীতে দেওয়া এই টাকার চেকটি গত সোমবার পাস হওয়ার শর্ত ছিল। কিন্তু গত বধুবার নগদায়ন করতে গেলে অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে চেকটি ফেরত দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। এরপর আমি মার্কেটে আব্দুর রহিমের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গেলে দেখা যায় সেটি বন্ধ। বিষয়টি জানাজানি হলে অন্য পাওনাদারেরাও তাঁর কার্যালয়ের সামনে এসে ভিড় করেন।’
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান মিন্টু বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকে একজন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে গা-ঢাকা দিয়েছেন, এমন কথা শুনতে পেয়েছি। ইতিমধ্যে পাওনাদার ব্যবসায়ীরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন এবং বিষয়টি সমঝোতারও চেষ্টা চলছে বলে জেনেছি।’
ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, ১৯৮৬ সালের পর থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৮ জন ব্যবসায়ী বাজারে পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ না করে গা-ঢাকা দিয়েছেন। যাঁরা বাজার থেকে নিয়ে গেছেন কমপক্ষে ৯০০-১০০০ কোটি টাকা। এরপর ২০১৯ সাল থেকে কমপক্ষে ১০ ব্যবসায়ী বাজার থেকে উধাও হয়েছেন, যাঁরা ব্যবসায়ীদের কমপক্ষে আরও ২০০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন।

চট্টগ্রামে অন্য ব্যবসায়ীদের প্রায় আট কোটি টাকা পাওনা পরিশোধ না করে ভোগ্যপণ্যের বৃহত্তম বাজার খাতুনগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর গা-ঢাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম আব্দুর রহিম। তাঁর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ার মনসা এলাকায় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে খাতুনগঞ্জের আমির মার্কেটে গম, তেল, চিনিসহ ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা করে আসছেন। বাজারের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য কিনেছেন। কিন্তু গত সোমবার থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, আব্দুর রহিমের কাছে খাতুনগঞ্জের কমপক্ষে ১০ ব্যবসায়ীর আট কোটি টাকা বকেয়া আটকে রয়েছে। এই পাওনা না দিতে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বকেয়া, অর্থাৎ প্রায় চার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে মেসার্স হাসান ব্রাদার্সের। এ ছাড়া মেসার্স চন্দ্রিমা এন্টারপ্রাইজ, সিটি কমিডিটিস, মেসার্স শাকিল এন্টারপ্রাইজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান মিলে প্রায় আট কোটি টাকা আটকে গেছে।
আব্দুর রহিমের কাছে পাওনা আটকে রয়েছে এমন এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির কাছে গম বিক্রি বাবদ আমাদের অর্ধকোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। পণ্য বিক্রির বিপরীতে দেওয়া এই টাকার চেকটি গত সোমবার পাস হওয়ার শর্ত ছিল। কিন্তু গত বধুবার নগদায়ন করতে গেলে অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে চেকটি ফেরত দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। এরপর আমি মার্কেটে আব্দুর রহিমের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গেলে দেখা যায় সেটি বন্ধ। বিষয়টি জানাজানি হলে অন্য পাওনাদারেরাও তাঁর কার্যালয়ের সামনে এসে ভিড় করেন।’
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান মিন্টু বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকে একজন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে গা-ঢাকা দিয়েছেন, এমন কথা শুনতে পেয়েছি। ইতিমধ্যে পাওনাদার ব্যবসায়ীরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন এবং বিষয়টি সমঝোতারও চেষ্টা চলছে বলে জেনেছি।’
ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, ১৯৮৬ সালের পর থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৮ জন ব্যবসায়ী বাজারে পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ না করে গা-ঢাকা দিয়েছেন। যাঁরা বাজার থেকে নিয়ে গেছেন কমপক্ষে ৯০০-১০০০ কোটি টাকা। এরপর ২০১৯ সাল থেকে কমপক্ষে ১০ ব্যবসায়ী বাজার থেকে উধাও হয়েছেন, যাঁরা ব্যবসায়ীদের কমপক্ষে আরও ২০০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে