চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মনিপুর গ্রামের এক বাড়ির ছাদে আলমগীর হোসেন (৩৫) নামের এক মাইকম্যানের মরদেহ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই গ্রামের ছোলাইমান মাস্টারের বাড়ির সৌদিপ্রবাসী আবুল হোসাইন মানিকের বাড়ির ছাদে ওই মরদেহের সন্ধান মেলে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
আলমগীর হোসেন ওই গ্রামের নতুন বাড়ির মৃত মো. শহীদ উল্লাহর ছেলে। তিনি পেশায় ভটভটিচালক ও মাইকম্যান। এক ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা আলমগীর। তাঁর স্ত্রীর নাম তাছলিমা বেগম।
প্রবাসী মানিকের স্ত্রী খোদেজা বেগম বলেন, ওই বাড়ির শিপন মসজিদে এশার নামাজ আদায় করে ফেরার পথে বাড়ির ছাদে কারও উপস্থিতি টের পান। পরে ছাদে গিয়ে আলমগীরকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।
খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে যায় শাহরাস্তি থানা-পুলিশ। সেখান থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। শাহরাস্তি ওঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের (ইনচার্জ) গৌতম চন্দ্র হালদার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
নিহত আলমগীরের নিকটাত্মীয় মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি আমাকে জানালে তাৎক্ষণিক সেখানে উপস্থিত হই এবং ৯৯৯ ফোন দিয়ে ঘটনাটি পুলিশকে জানাই। এরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। খবর পেয়ে বহু মানুষ এসে এখানে ভিড় জমায়।’
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রিজওয়ান সাঈদ জিকোর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় বাড়ির মালিকের স্ত্রী খোদেজা ও তাঁর মেয়ে মাহমুদা আক্তার সোনিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মনিপুর গ্রামের এক বাড়ির ছাদে আলমগীর হোসেন (৩৫) নামের এক মাইকম্যানের মরদেহ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই গ্রামের ছোলাইমান মাস্টারের বাড়ির সৌদিপ্রবাসী আবুল হোসাইন মানিকের বাড়ির ছাদে ওই মরদেহের সন্ধান মেলে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
আলমগীর হোসেন ওই গ্রামের নতুন বাড়ির মৃত মো. শহীদ উল্লাহর ছেলে। তিনি পেশায় ভটভটিচালক ও মাইকম্যান। এক ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা আলমগীর। তাঁর স্ত্রীর নাম তাছলিমা বেগম।
প্রবাসী মানিকের স্ত্রী খোদেজা বেগম বলেন, ওই বাড়ির শিপন মসজিদে এশার নামাজ আদায় করে ফেরার পথে বাড়ির ছাদে কারও উপস্থিতি টের পান। পরে ছাদে গিয়ে আলমগীরকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।
খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে যায় শাহরাস্তি থানা-পুলিশ। সেখান থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। শাহরাস্তি ওঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের (ইনচার্জ) গৌতম চন্দ্র হালদার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
নিহত আলমগীরের নিকটাত্মীয় মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি আমাকে জানালে তাৎক্ষণিক সেখানে উপস্থিত হই এবং ৯৯৯ ফোন দিয়ে ঘটনাটি পুলিশকে জানাই। এরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। খবর পেয়ে বহু মানুষ এসে এখানে ভিড় জমায়।’
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রিজওয়ান সাঈদ জিকোর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় বাড়ির মালিকের স্ত্রী খোদেজা ও তাঁর মেয়ে মাহমুদা আক্তার সোনিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে