চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের টয়লেট থেকে মঙ্গল হরিজন (৪৯) নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে শহরের চিত্রলেখা মোড় মোজাম্মেল প্লাজায় সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের চতুর্থ তলার টয়লেট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মঙ্গল শহরের বাসস্ট্যান্ড স্বর্ণখোলা সুইপার কলোনি এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে, পরিচ্ছন্নতার কাজ করার কোনো এক সময় হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও নিহত ব্যক্তির স্বজনেরা জানান, বুধবার ব্যাংকের কাজের নির্দিষ্ট সময় পরও মঙ্গল বাড়ি ফিরে না গেলে তাঁর ছেলে অফিসে খোঁজ নিতে আসেন। এ সময় তিনি বাড়ি চলে গেছেন বলে জানান দায়িত্বরত দারোয়ান। তবে ছেলে বেশ কয়েকবার খোঁজ নিতে আসায় দারোয়ান ভেতরে গিয়ে টয়লেট চেক করে দেখতে পান, সেখানে মঙ্গলের মরদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মঙ্গল অসুস্থ ছিলেন বলে জানান তাঁর স্বজনেরা।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হবে। পরে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে অনেকে গরু নিয়ে এসেছেন হাটে। আগামী রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেনাবেচা শুরু হলেও আগেভাগে গরুর দাম বুঝে নিতে হাটে ঘুরতে এসেছেন ক্রেতারা। তবে এবার পরিবহন ভাড়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন গরু বিক্রেতারা।
১ ঘণ্টা আগে
‘রান্নাঘর থেকে শব্দ শুনছি। মনে করছি, পাশের ফ্ল্যাটের বাচ্চা চিৎকার দেয়। আমার মেয়ে যে চিৎকার দিতেছে, আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। মনে করেছি, ওর সাথে বড় মেয়ে গেছে, আমার মেয়ে চিৎকার দিবো কেমনে?’ কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির মা।
২ ঘণ্টা আগে
একসময় গ্রাম ও শহরে কামারদের ছিল জমজমাট ব্যবসা। দোকানও ছিল অনেক। কিন্তু এই আধুনিক যুগে অনেকটাই বিলুপ্তির মুখে কামার সম্প্রদায়ের মানুষ। কারখানার অত্যাধুনিক মেশিনে তৈরি, চীন থেকে আমদানি, অনলাইন বিক্রি এবং কয়লা, লোহা ও ইস্পাতের দাম বেড়ে যাওয়ায় কামারদের চাহিদা কমে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে হত্যার শিকার শিশুটির (৮) মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এশার নামাজের পর জানাজা শেষে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে