ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

‘নৌকার মধ্যে সাপ, ব্যাঙ, কুঁচিয়া উঠে গেছে। এগুলো থেকে নৌকাকে মুক্ত করতে ঈগলের প্রয়োজন। তাই ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে এসেছি। আমি নির্বাচিত হলে নৌকাকে এসব থেকে মুক্ত করব।’
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) নির্বাচনী আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক জাতীয় পরিষদের সদস্য, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া এক নির্বাচনী পথসভায় এ কথা বলেন। আজ মঙ্গলবার উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের সোভান, পশ্চিম সোভান, ধানুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি।
মোহাম্মদ শামছুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে নৌকার পাশাপাশি ঈগল দিয়ে মাঠে পাঠিয়েছেন। আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে আপনারা সকলে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ঈগলের জয় নিশ্চিত করে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন। গত পাঁচ বছরে এই উপজেলা মাদক, প্রতিনিধি লীগ এবং দলের নেতা-কর্মীরা নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব থেকে মুক্ত হতেই নারী-পুরুষ সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে হবে।’
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমি কারও বিরুদ্ধে কোনো কথা না বললেও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে। আমি সংসদ সদস্য থাকাকালীন নাকি অন্য দলের নেতা-কর্মীদের মামলা দিয়ে হয়রানি করেছি। আমি আল্লাহকে হাজির নাজির করে বলছি, আমি কোনো মামলা দিইনি এবং এর সঙ্গে জড়িত নই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. হারুনুর রশিদ সাগর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাহেদ সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন, আরিফুর রহমান আজাদ, সদস্য কামাল মিজি, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ শাহ আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল চৌধুরী প্রমুখ।

‘নৌকার মধ্যে সাপ, ব্যাঙ, কুঁচিয়া উঠে গেছে। এগুলো থেকে নৌকাকে মুক্ত করতে ঈগলের প্রয়োজন। তাই ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে এসেছি। আমি নির্বাচিত হলে নৌকাকে এসব থেকে মুক্ত করব।’
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) নির্বাচনী আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক জাতীয় পরিষদের সদস্য, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া এক নির্বাচনী পথসভায় এ কথা বলেন। আজ মঙ্গলবার উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের সোভান, পশ্চিম সোভান, ধানুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি।
মোহাম্মদ শামছুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে নৌকার পাশাপাশি ঈগল দিয়ে মাঠে পাঠিয়েছেন। আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে আপনারা সকলে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ঈগলের জয় নিশ্চিত করে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন। গত পাঁচ বছরে এই উপজেলা মাদক, প্রতিনিধি লীগ এবং দলের নেতা-কর্মীরা নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব থেকে মুক্ত হতেই নারী-পুরুষ সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে হবে।’
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমি কারও বিরুদ্ধে কোনো কথা না বললেও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে। আমি সংসদ সদস্য থাকাকালীন নাকি অন্য দলের নেতা-কর্মীদের মামলা দিয়ে হয়রানি করেছি। আমি আল্লাহকে হাজির নাজির করে বলছি, আমি কোনো মামলা দিইনি এবং এর সঙ্গে জড়িত নই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. হারুনুর রশিদ সাগর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাহেদ সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন, আরিফুর রহমান আজাদ, সদস্য কামাল মিজি, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ শাহ আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল চৌধুরী প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে