নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গত প্রায় তিন মাস ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি শূন্য থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক কাজকর্ম। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। সঠিকভাবে তদারকি হচ্ছে না বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। এতে বিপাকে পড়েছে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছিলেন হালিমা খাতুন। বদলিজনিত কারণে তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কর্মস্থল থেকে বিদায় নেন। তাঁর বিদায়ের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দুজনকে পদায়ন করা হলেও তাঁদের কেউই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেনি। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ভারপ্রাপ্ত ইউএনওর দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২২ মে তিনিও বদলি হলে নতুন আরেকজনকে পদায়ন করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ৪৩টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে জড়িত আছেন। এ ছাড়াও তিনি নাসিরনগর উপজেলার আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। ইউএনও না থাকায় এসব কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনের দায়িত্ব থাকলেও ইউএনও না থাকায় সেটিও হচ্ছে না ঠিকভাবে।
ইউএনও অফিসে সেবা নিতে আসা ইলিয়াস মিয়া বলেন, ‘আমি বৃহস্পতিবার জায়গা সংক্রান্ত সমস্যার কাজে স্যারের খোঁজ নিতে যায়। তখন অফিসের একজন বলেন, ‘‘ইউএনও নেই। স্যার খেলার কাজে জেলায় গেছে, রোববার আসবেন।’
উপজেলা প্রকৌশলী সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, ‘এসিল্যান্ড নতুন এসেছেন। ফলে একজনের পক্ষে এতগুলো দায়িত্ব পালন করা আসলেই কঠিন। তারপরও আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। সামনে জুন মাস আসছে, ইউএনও পদায়ন করা হলে ভালো হতো।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘গত তিন মাস ধরে ইউএনও স্যার নাই। ইউএনও না থাকায় এসিল্যান্ড স্যার দায়িত্ব পালন করতেন। কয়েক দিন আগে তিনিও বদলি হয়ে গেছেন। নতুন এসিল্যান্ড স্যার দেওয়া হলেও ইউএনও না থাকলে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাজ করতে সমস্যায় পড়তে হয়।’
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন বলেন, ইউএনও না থাকায় উপজেলা পরিষদসহ সাধারণ মানুষের বিভিন্ন কাজকর্মে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত একজন ইউএনও পদায়ন করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুহুল আমিন জানান, জেলায় নাসিরনগর ও আখাউড়া উপজেলায় ইউএনও পদ খালি আছে। দুটিই জায়গায়ই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন ইউএনও চলে আসবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গত প্রায় তিন মাস ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি শূন্য থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক কাজকর্ম। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। সঠিকভাবে তদারকি হচ্ছে না বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। এতে বিপাকে পড়েছে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছিলেন হালিমা খাতুন। বদলিজনিত কারণে তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কর্মস্থল থেকে বিদায় নেন। তাঁর বিদায়ের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দুজনকে পদায়ন করা হলেও তাঁদের কেউই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেনি। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ভারপ্রাপ্ত ইউএনওর দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২২ মে তিনিও বদলি হলে নতুন আরেকজনকে পদায়ন করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ৪৩টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে জড়িত আছেন। এ ছাড়াও তিনি নাসিরনগর উপজেলার আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। ইউএনও না থাকায় এসব কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনের দায়িত্ব থাকলেও ইউএনও না থাকায় সেটিও হচ্ছে না ঠিকভাবে।
ইউএনও অফিসে সেবা নিতে আসা ইলিয়াস মিয়া বলেন, ‘আমি বৃহস্পতিবার জায়গা সংক্রান্ত সমস্যার কাজে স্যারের খোঁজ নিতে যায়। তখন অফিসের একজন বলেন, ‘‘ইউএনও নেই। স্যার খেলার কাজে জেলায় গেছে, রোববার আসবেন।’
উপজেলা প্রকৌশলী সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, ‘এসিল্যান্ড নতুন এসেছেন। ফলে একজনের পক্ষে এতগুলো দায়িত্ব পালন করা আসলেই কঠিন। তারপরও আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। সামনে জুন মাস আসছে, ইউএনও পদায়ন করা হলে ভালো হতো।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘গত তিন মাস ধরে ইউএনও স্যার নাই। ইউএনও না থাকায় এসিল্যান্ড স্যার দায়িত্ব পালন করতেন। কয়েক দিন আগে তিনিও বদলি হয়ে গেছেন। নতুন এসিল্যান্ড স্যার দেওয়া হলেও ইউএনও না থাকলে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাজ করতে সমস্যায় পড়তে হয়।’
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন বলেন, ইউএনও না থাকায় উপজেলা পরিষদসহ সাধারণ মানুষের বিভিন্ন কাজকর্মে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত একজন ইউএনও পদায়ন করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুহুল আমিন জানান, জেলায় নাসিরনগর ও আখাউড়া উপজেলায় ইউএনও পদ খালি আছে। দুটিই জায়গায়ই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন ইউএনও চলে আসবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে