ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমানকে সমর্থন দেওয়া ভোটারদের সই করা তালিকার একাংশ ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ দেন তিনি।
ফিরোজুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য। তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ভোটার তালিকার কয়েকটি পাতা ছিনতাই হয়েছে বলে মৌখিকভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান আমাকে জানিয়েছেন। তবে তাঁর কাছে তালিকার অতিরিক্ত কপি আছে বলে জানিয়েছেন।’
ফিরোজুর রহমান সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘মোট ভোটার সংখ্যার এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরিত একটি তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হয়। আজ সকালে ভোটারদের তালিকা নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসার পথে সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের খালকাটা এলাকায় আমার কর্মী মহিবুর রহমানের কাছ থেকে ২৫০ জন ভোটারের স্বাক্ষরিত একটি তালিকা ছিনতাই করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক।’
ফিরোজুর রহমান আরও বলেন, ‘বর্তমান সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী আবু মূসা আনসারির মদদে আমার ভোটার তালিকা ছিনতাই করা হয়েছে। আমি যেন নির্বাচনে অংশ না নিতে পারি সে জন্যই এটি করা হয়েছে।’
ফিরোজুর রহমানের কর্মী মহিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ভোটারদের তালিকা নিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে খালকাটা মোড়ের সেতুর ওপর সাত-আট জন আমাদের পথরোধ করেন। এ সময় তাঁরা আমার কাছ থেকে সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরিত তালিকা ছিনতাই করে নিয়ে যান।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আবু মূসা আনসারী বলেন, ‘উনি (ফিরোজুর রহমান) একেক সময় একেক কথা বলছেন। একবার বলছেন খালকাটার লোকজন ছিনতাই করেছে। আরেকবার বলছেন আমার লোক নিয়েছে। আমি কেন ছিনতাই করাব?’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমানকে সমর্থন দেওয়া ভোটারদের সই করা তালিকার একাংশ ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ দেন তিনি।
ফিরোজুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য। তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ভোটার তালিকার কয়েকটি পাতা ছিনতাই হয়েছে বলে মৌখিকভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান আমাকে জানিয়েছেন। তবে তাঁর কাছে তালিকার অতিরিক্ত কপি আছে বলে জানিয়েছেন।’
ফিরোজুর রহমান সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘মোট ভোটার সংখ্যার এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরিত একটি তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হয়। আজ সকালে ভোটারদের তালিকা নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসার পথে সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের খালকাটা এলাকায় আমার কর্মী মহিবুর রহমানের কাছ থেকে ২৫০ জন ভোটারের স্বাক্ষরিত একটি তালিকা ছিনতাই করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক।’
ফিরোজুর রহমান আরও বলেন, ‘বর্তমান সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী আবু মূসা আনসারির মদদে আমার ভোটার তালিকা ছিনতাই করা হয়েছে। আমি যেন নির্বাচনে অংশ না নিতে পারি সে জন্যই এটি করা হয়েছে।’
ফিরোজুর রহমানের কর্মী মহিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ভোটারদের তালিকা নিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে খালকাটা মোড়ের সেতুর ওপর সাত-আট জন আমাদের পথরোধ করেন। এ সময় তাঁরা আমার কাছ থেকে সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরিত তালিকা ছিনতাই করে নিয়ে যান।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আবু মূসা আনসারী বলেন, ‘উনি (ফিরোজুর রহমান) একেক সময় একেক কথা বলছেন। একবার বলছেন খালকাটার লোকজন ছিনতাই করেছে। আরেকবার বলছেন আমার লোক নিয়েছে। আমি কেন ছিনতাই করাব?’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে