
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মা ও দুই ছেলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের চর ছয়ানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী জেকি আক্তার (৩৫), তাঁর বড় ছেলে মাহিন ইসলাম (১৪) ও ছোট ছেলে মহিন ইসলাম (৭)।
এ সময় প্রবাসী শাহ আলমের ৭ মাস বয়সী মেয়ে শিশু ওজিহাকে অক্ষত অবস্থায় বিছানায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় নিকট আত্মীয়রা শিশুটিকে তাদের কাছে নিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) সিরাজুল ইসলাম জানান, সৌদি আরব প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানকে নিয়ে চর ছয়ানি গ্রামের একটি পাকা ভবনে বসবাস করতেন। আজ সকাল সাড়ে
৮টার দিকে জেকি আক্তারের বাসায় যান গৃহপরিচারিকা জেসমিন আক্তার। এই সময় জেকি আক্তারের বাড়ির প্রধান ফটকে তালা ও ভেতরের দরজা বন্ধ থাকায় কলিং বেল চাপেন জেসমিন। অনেকক্ষণ অপেক্ষা ও ডাকাডাকি করেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাননি তিনি। এ সময় ভেতরে গিয়ে ভবনের সব দরজা-জানালা বন্ধ দেখতে পান। পরে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে বিষয়টি বাঞ্ছারামপুর থানা-পুলিশকে জানায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে মেঝেতে জেকি ও তাঁর বড় ছেলে মাহিনের লাশ এবং পাশের বাথরুম থেকে ছোট ছেলে মহিনের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। এ সময় সাত মাস বয়সী কন্যা সন্তান ওজিহাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন আজকের পত্রিকাকে জানান, ঘরের দরজা ও জানালা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। মেঝেতে তাদের লাশ পাওয়া গেছে। জেকি আক্তারের মাথার পেছনে ও কোমরে, মাহিনের মাথার পেছনে ও মহিনের মাথায় ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাঞ্ছারামপুর থানা–পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সিআইডির একটি দলসহ পুলিশের একাধিক দল ঘটনা তদন্তে মাঠে নেমেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
৮ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৯ ঘণ্টা আগে