ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার ধুনটে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ ধুনট থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেছে।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন এলাঙ্গী ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের ফরিদুল ইসলাম (৪২) এবং একই গ্রামের আরিফুল ইসলাম (৩৪)। এর মধ্যে আরিফুল ইসলামকে রাতেই আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার দুপুরের দিকে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তোজাম্মেল হক এবং এলাঙ্গী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম এ তারেক হেলালের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে আগে থেকে বিরোধ রয়েছে।
গতকাল বিকেল ৪টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ তারেক হেলালের কর্মী ফরিদুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হককে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। সংবাদ পেয়ে তোজাম্মেল হকের নেতা-কর্মীরা এলাঙ্গী বাজারে এসে ফরিদুল হককে মারধরে আহত করেন।
এ সময় এম এ তারেক হেলালের কর্মীরা পাল্টা হামলা চালিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হকের কর্মী আরিফুল ইসলামকে মারধরে আহত করেন। স্থানীয় লোকজন আহত দুজনকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় রাতেই উভয় পক্ষ বাদী হয়ে থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করেন। এর মধ্যে এম এ তাকের হেলালের পক্ষের মামলায় সাতজন এবং তোজাম্মেল হকের পক্ষের মামলায় আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। একপক্ষের একজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যপক্ষের দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

বগুড়ার ধুনটে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ ধুনট থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেছে।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন এলাঙ্গী ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের ফরিদুল ইসলাম (৪২) এবং একই গ্রামের আরিফুল ইসলাম (৩৪)। এর মধ্যে আরিফুল ইসলামকে রাতেই আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার দুপুরের দিকে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তোজাম্মেল হক এবং এলাঙ্গী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম এ তারেক হেলালের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে আগে থেকে বিরোধ রয়েছে।
গতকাল বিকেল ৪টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ তারেক হেলালের কর্মী ফরিদুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হককে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। সংবাদ পেয়ে তোজাম্মেল হকের নেতা-কর্মীরা এলাঙ্গী বাজারে এসে ফরিদুল হককে মারধরে আহত করেন।
এ সময় এম এ তারেক হেলালের কর্মীরা পাল্টা হামলা চালিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হকের কর্মী আরিফুল ইসলামকে মারধরে আহত করেন। স্থানীয় লোকজন আহত দুজনকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় রাতেই উভয় পক্ষ বাদী হয়ে থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করেন। এর মধ্যে এম এ তাকের হেলালের পক্ষের মামলায় সাতজন এবং তোজাম্মেল হকের পক্ষের মামলায় আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। একপক্ষের একজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যপক্ষের দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে