বগুড়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। টাকা লেনদেন-সংক্রান্ত মামলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এ খুনের ঘটনা ঘটে। গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সোয়া ১২টার দিকে বগুড়া শহরতলির ফাঁপোড় খন্দকারপাড়ায় খুনের এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরিফুল ইসলাম মুন্না ফাঁপোড় খন্দকারপাড়ার মৃত ডা. ইয়াছিন আলীর ছেলে এবং ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মুন্নার স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন জানান, রাতে ছেলের জন্য রুটি কিনতে ফাঁপোড় স্কুলের পাশে দোকানে যান মুন্না। সেখান থেকে ফেরার পথে পাঁচ-ছয়জন তাঁকে ঘিরে ধরে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় মুন্না দৌঁড়ে বড় ভাই মাহিদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে ঘটনা জানালে তাঁকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আনাম বলেন, ‘খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুল সায়েম ও তাঁর পরিবারের লোকজন ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে। সায়েমকে ধরতে অভিযান চলছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা করা হয়নি।’

নিহতের আত্মীয়স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত মজিদ খান ও তাঁর ছেলেদেরসহ তিনটি বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
১ মিনিট আগে
পাবনার সুজানগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় গুলিতে আহত আরও একজন মারা গেছেন। তাঁর নাম মুনছুর খাঁ (৬০)। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১ ঘণ্টা আগে
নড়াইলের কালিয়ায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জবাই করা গরুর মাংসের ভাগ চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনের ছররা গুলিবিদ্ধ হওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়া গ্রামে গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে
১ ঘণ্টা আগে
লাউয়াছড়া সংরক্ষিত বনে পর্যটকের অতিরিক্ত চাপে হুমকির মুখে সেখানকার বন্য প্রাণিকুল। পর্যটকদের হইহুল্লোড় আর ফেলে যাওয়া আবর্জনায় নষ্ট হচ্ছে বনের পরিবেশ। এই অবস্থায় বন্য প্রাণী সুরক্ষা নাকি পর্যটন—দুটির একটিকে বেছে নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
১ ঘণ্টা আগে