
ভোলার মনপুরায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মনপুরা উপজেলার ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। পরে ঘটনাস্থলে নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
জামায়াতে ইসলামীর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি আব্দুর রহিমের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ভোট চাইতে গেলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এতে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচজন আহত হন।
অন্যদিকে একই ইউনিয়নের বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন, ভোট চাওয়ার নামে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে বিএনপির তিন-চারজন নেতা-কর্মী আহত হন।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ফরাজি বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা একটি বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে পরে জামায়াতের নেতারাও সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং বিএনপির তিনজন আহত হন।
এই বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সামান্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নৌবাহিনীও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। ইতিমধ্যে জাবেরর গুলিবিদ্ধের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
৩ মিনিট আগে
কক্সবাজার টেকনাফে বাসের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে একটি ব্যাটারিচালিত মিনি টমটমের চালক ও এক শিশু নিহত হয়েছে। আহত হন চারজন। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুড়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩১ মিনিট আগে
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৪১ মিনিট আগে
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ধর্ম-জাতের ভিত্তিতে আমরা বিভাজনে বিশ্বাস করিনি, করবও না। ভবিষ্যতে আমাদের অঙ্গীকার আছে, মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান—সবার একটিই পরিচয় হবে, সেটা বাংলাদেশি।
৪১ মিনিট আগে