প্রতিনিধি, ভোলা

স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় এবং বিনা কারণে বাইরে বের হওয়ার অপরাধে ভোলা জেলায় গত ১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত এক মাসে ৩২৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২ হাজার ৪৮৮ জনকে ২২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মামলা দায়ের করা হয়েছে ২ হাজার ৪৭৫টি। আসামি করা হয়েছে ২ হাজার ৬২৩ জনকে।
গতকাল শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭৪টি মামলায় ৭৮ জনের মধ্যে ৭৩ জনকে ৭৮ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ভোলা সদরে ৪টি ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৬টি মামলায় ২৮ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে দৌলতখানে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৮ মামলায় ১৮ জনের মধ্যে ১৩ জনকে ৯ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা এবং ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বোরহানউদ্দিনে দুইটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৯ মামলায় ১৯ জনকে ১২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। লালমোহনে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪ মামলায় ৪ জনকে ৯ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়। তজুমদ্দিনে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ মামলায় ৯ জনকে ৭ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান জানান, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও স্বাস্থ্যবিধি পালনে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভোলার জেলা প্রশাসক তৌফিক ই-লাহি চৌধুরী জানান, কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলার ৭ উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে। শহরের প্রবেশদ্বার ও বহির্গমন পথে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। করোনা সংক্রমণরোধে আমাদের কঠোর অভিযান চলমান রয়েছে। সরকারি পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের এই ধারাবাহিকতা চলমান থাকবে।

স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় এবং বিনা কারণে বাইরে বের হওয়ার অপরাধে ভোলা জেলায় গত ১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত এক মাসে ৩২৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২ হাজার ৪৮৮ জনকে ২২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মামলা দায়ের করা হয়েছে ২ হাজার ৪৭৫টি। আসামি করা হয়েছে ২ হাজার ৬২৩ জনকে।
গতকাল শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭৪টি মামলায় ৭৮ জনের মধ্যে ৭৩ জনকে ৭৮ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ভোলা সদরে ৪টি ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৬টি মামলায় ২৮ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে দৌলতখানে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৮ মামলায় ১৮ জনের মধ্যে ১৩ জনকে ৯ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা এবং ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বোরহানউদ্দিনে দুইটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৯ মামলায় ১৯ জনকে ১২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। লালমোহনে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪ মামলায় ৪ জনকে ৯ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়। তজুমদ্দিনে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ মামলায় ৯ জনকে ৭ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান জানান, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও স্বাস্থ্যবিধি পালনে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভোলার জেলা প্রশাসক তৌফিক ই-লাহি চৌধুরী জানান, কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলার ৭ উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে। শহরের প্রবেশদ্বার ও বহির্গমন পথে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। করোনা সংক্রমণরোধে আমাদের কঠোর অভিযান চলমান রয়েছে। সরকারি পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের এই ধারাবাহিকতা চলমান থাকবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে