নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বহুবিবাহ ও প্রতারণার অভিযোগে বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. কবির হোসেন পাটওয়ারীর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের অভিযোগ, এই বন কর্মকর্তা ১৫ থেকে ১৬টি বিয়ে করেছেন। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১০ থেকে ১২ জন নারী এত বিয়ের প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
আজ বৃহস্পতিবার ‘ভুক্তভোগী পরিবার ও সুশীল সমাজের’ ব্যানারে নগরীর কাশিপুর বন সংরক্ষক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কবির হোসেন চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বাসিন্দা। তিনি এর আগে ঢাকা, খুলনা, সিরাজগঞ্জ, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলায় কর্মরত থেকে বিয়ের নামে প্রতারণা করেছেন।
তাঁরা জানান, কবির হোসেন বিদেশে পড়াশোনা করানো, সরকারি চাকরি দেওয়া, বিমানবালার সুযোগ কিংবা সম্পত্তি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের অল্প কিছুদিনের মধ্যে যৌতুক দাবি ও শারীরিক নির্যাতনের কারণে একে একে সংসার ভাঙে। এভাবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার নারীরা তাঁর প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
সবশেষ খুলনায় চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন কবির। বিয়ের দ্বিতীয় দিনেই স্ত্রীর বাবার বাড়ির অংশ লিখে দেওয়ার দাবি তোলেন। রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে বরিশালের সরকারি বাসভবন থেকে বের করে দেন।
ওই স্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘আমাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেছে। বাবার বাড়ির সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় নির্যাতন করে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে।’
ওই স্ত্রী জানান, থানায়, আদালতে এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করলেও এখনো কার্যকর প্রতিকার পাননি তিনি। একাধিকবার দাপ্তরিক প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেও প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় কবির হোসেন দ্রুত জামিন পান।
এ বিষয়ে কথা বলতে বন কর্মকর্তা কবির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সাড়া না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে তাঁর আইনজীবী এনায়েত হোসেন বাচ্চু জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন।

বহুবিবাহ ও প্রতারণার অভিযোগে বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. কবির হোসেন পাটওয়ারীর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের অভিযোগ, এই বন কর্মকর্তা ১৫ থেকে ১৬টি বিয়ে করেছেন। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১০ থেকে ১২ জন নারী এত বিয়ের প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
আজ বৃহস্পতিবার ‘ভুক্তভোগী পরিবার ও সুশীল সমাজের’ ব্যানারে নগরীর কাশিপুর বন সংরক্ষক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কবির হোসেন চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বাসিন্দা। তিনি এর আগে ঢাকা, খুলনা, সিরাজগঞ্জ, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলায় কর্মরত থেকে বিয়ের নামে প্রতারণা করেছেন।
তাঁরা জানান, কবির হোসেন বিদেশে পড়াশোনা করানো, সরকারি চাকরি দেওয়া, বিমানবালার সুযোগ কিংবা সম্পত্তি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের অল্প কিছুদিনের মধ্যে যৌতুক দাবি ও শারীরিক নির্যাতনের কারণে একে একে সংসার ভাঙে। এভাবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার নারীরা তাঁর প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
সবশেষ খুলনায় চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন কবির। বিয়ের দ্বিতীয় দিনেই স্ত্রীর বাবার বাড়ির অংশ লিখে দেওয়ার দাবি তোলেন। রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে বরিশালের সরকারি বাসভবন থেকে বের করে দেন।
ওই স্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘আমাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেছে। বাবার বাড়ির সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় নির্যাতন করে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে।’
ওই স্ত্রী জানান, থানায়, আদালতে এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করলেও এখনো কার্যকর প্রতিকার পাননি তিনি। একাধিকবার দাপ্তরিক প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেও প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় কবির হোসেন দ্রুত জামিন পান।
এ বিষয়ে কথা বলতে বন কর্মকর্তা কবির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সাড়া না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে তাঁর আইনজীবী এনায়েত হোসেন বাচ্চু জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে