কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ও নাগেশ্বরী সংবাদদাতা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে শোবার ঘর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম মহিমা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী বাবলু মিয়ার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি নিখোঁজ নাকি পলাতক তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের লোকজন জানায়, বাবলু মিয়া স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। সেখানে তিনি রিকশার গ্যারেজ ও মেস চালান। দুই সপ্তাহ আগে পরিবার নিয়ে বাড়িতে এসেছেন। রোববার সন্ধ্যায় তাঁদের ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। তবে তাঁরা যাননি।
সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে সোমবার সকালে নাগেশ্বরী থানা-পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের বরাতে পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় ও শরীরের কয়েকটি স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহের পাশ থকে একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, বাবলু মিয়া ও মহিমা বেগমের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। হত্যাকাণ্ড হওয়ার মতো দাম্পত্য কলহ ছিল না। তবে জাদুটোনা বা ঝাড়ফুঁক নিয়ে কয়েক দিন ধরে তাঁদের মধ্যে কিছুটা মন-কষাকষি চলছিল।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান বলেন, ‘এটি হত্যাকাণ্ড। আমরা ধারণা করছি নিহতের স্বামী এ ঘটনায় জড়িত। তার সন্ধানে আমাদের টিম কাজ করছে। নিহতের পরিবার থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে শোবার ঘর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম মহিমা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী বাবলু মিয়ার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি নিখোঁজ নাকি পলাতক তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের লোকজন জানায়, বাবলু মিয়া স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। সেখানে তিনি রিকশার গ্যারেজ ও মেস চালান। দুই সপ্তাহ আগে পরিবার নিয়ে বাড়িতে এসেছেন। রোববার সন্ধ্যায় তাঁদের ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। তবে তাঁরা যাননি।
সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে সোমবার সকালে নাগেশ্বরী থানা-পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের বরাতে পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় ও শরীরের কয়েকটি স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহের পাশ থকে একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, বাবলু মিয়া ও মহিমা বেগমের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। হত্যাকাণ্ড হওয়ার মতো দাম্পত্য কলহ ছিল না। তবে জাদুটোনা বা ঝাড়ফুঁক নিয়ে কয়েক দিন ধরে তাঁদের মধ্যে কিছুটা মন-কষাকষি চলছিল।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান বলেন, ‘এটি হত্যাকাণ্ড। আমরা ধারণা করছি নিহতের স্বামী এ ঘটনায় জড়িত। তার সন্ধানে আমাদের টিম কাজ করছে। নিহতের পরিবার থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
২৫ মিনিট আগে
কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
১ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
১ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে