Ajker Patrika

অস্ত্র উদ্ধার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট: মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
আজ সকালে নিজ পৈতৃক বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: আজকের পত্রিকা
আজ সকালে নিজ পৈতৃক বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: আজকের পত্রিকা

দেশে বাড়তে থাকা সহিংসতা, অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এসব ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট। তবে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদী।

আজ সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ের কালীবাড়ি তাঁতিপাড়া মহল্লায় নিজ পৈতৃক বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

চলমান সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এসব বিষয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। বিষয়টি আমি সরকারের একটি ব্যর্থতা বলেই মনে করি—তারা অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়েছে বলেও আমার কাছে মনে হয়নি। তবে আমি আশাবাদী, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং একটি ভালো অবস্থায় আসবে।’

বড় দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং আওয়ামী লীগের ভোট টানার চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বড় দুটি দল বলতে কোন দুটি দলকে বোঝানো হচ্ছে?’ সাংবাদিকেরা বিএনপি ও জামায়াতের কথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘আমরা এত দিন জানতাম, বড় দুটি দল বলতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে বোঝানো হতো। বিএনপি একটি পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। দেশের যেসব ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে—একদলীয় ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে ফেরা, প্রেসিডেনশিয়াল ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় ব্যবস্থায় রূপান্তর, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা—এসবই বিএনপির অর্জন।’

তিনি বলেন, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার মধ্যেই সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত সব সংস্কারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’

গণভোটে প্রচারণা কম হওয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গণভোটের প্রচারণা বিএনপির দায়িত্ব নয়। জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে—হ্যাঁ বা না, যা জনগণ চাইবে সেটাই হবে।’

বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার আশঙ্কা নিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা বিদেশে বসে বড় বড় কথা বলেন, তারাই এসব আশঙ্কা করেন। আমরা ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করতে জানি। আমরা ৩১ দফা দিয়েছি সবার আগে। এর বাইরে আর কোনো সংস্কার সনদ আছে কি না—সে প্রশ্ন করা উচিত।’

তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিস্তা, পদ্মা ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করা হবে। পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে কূটনৈতিকভাবে আমরা আমাদের দাবি আদায় করব।’

ক্রিকেট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতি জড়িত। আমাদের দেশের সম্মান এখানে সংশ্লিষ্ট। একজন ক্রিকেটারকে অপমান করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বোর্ডের সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা একমত। তবে ছোটখাটো বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত।’

তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর বাতিলের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমান অবশ্যই উত্তরাঞ্চলে আসবেন। বগুড়া তাঁর পিতৃভূমি, দিনাজপুর নানার বাড়ি। রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতসহ উত্তরাঞ্চলের শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

বিদেশ থেকে মেশিন এনে টঙ্গিবাড়ীতে ইয়াবা তৈরি, বিপুল সরঞ্জামসহ যুবক আটক

এমপিওভুক্ততে ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের আবেদন শুরু, যোগ্যতা ও আবেদনের নিয়ম

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

আজকের রাশিফল: চোখের পানি মুছতে সঙ্গে রুমাল রাখুন, পেটের চর্বিটা আজ খুব ভাবাবে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত