নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কমিটির ১ নম্বর সদস্য রফিকুল ইসলাম লাবু পদত্যাগ করেছেন।
কারণ হিসেবে লাবু পদত্যাগপত্রে কমিটির নেতাদের শৃঙ্খলাবর্জিত কর্মকাণ্ড, সমন্বয়হীনতা, অবাঞ্ছিত কার্যক্রম ও ব্যাপক অনিয়মের কথা বলেছেন। পাশাপাশি তিনি এক খোলা চিঠিতে উপজেলা নেতাদের বিরুদ্ধে চর দখল, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ এনেছেন।
লাবু পদত্যাগপত্রে বলেন, বর্তমান কমিটির নেতারা মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপির কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করায় তিনি পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া খোলা চিঠিতে উল্লেখ করেন, কমিটির নেতারা অসাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। তাঁরা অনবরত চর দখল ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি চালিয়ে মেহেন্দীগঞ্জকে লুটপাটতন্ত্রের আখড়ায় পরিণত করেছেন। এসব জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এমন ঘৃণিত কাজের দায়ভার নিতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অপারগ। তাই বর্তমান কমিটির ১ নম্বর সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে একই অভিযোগ তোলে কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গোলাম ওয়াহীদ হারুন পদত্যাগ করেন।
জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক দিপেন জমাদ্দার বলেন, ‘শুনেছি লাবু ভাই পদত্যাগ করেছেন। তিনি আমাদের কর্মসূচিতে আসেন না, এ কমিটি মানতেনও না। গ্রুপিংয়ের কারণে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তি নেই। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিকবার তদন্ত করেও প্রমাণ মেলেনি।’
এ প্রসঙ্গে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেজবাউদ্দিন ফরহাদ বলেন, ‘এ কমিটি থেকে এর আগে ওয়াহীদ হারুন পদত্যাগ করেছেন। চাঁদাবাজির কারণে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। বিএনপির রাজনীতি মেহেন্দীগঞ্জে নেই। সেখানে কেবল চাঁদাবাজি চলে।’
যোগাযোগ করা হলে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান শহিদুল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাবু পদত্যাগের বিষয়ে আমার সঙ্গে আলাপ করছিলেন। কমিটিটাই বিতর্কিত। এর আগে যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াহীদ হারুন পদত্যাগ করেন। এ নিয়ে পাঁচ সদস্যের দুজন পদত্যাগ করায় কমিটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমরা শিগগির মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠন করব।’
মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলবাজি প্রসঙ্গে দেওয়ান শহিদুল্লাহ বলেন, এর আগে এসব নিয়ে তদন্ত হয়েছে। কিন্তু যাঁরা ভিকটিম, তাঁরা সামনে এসে বলতে সাহস পান না।

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কমিটির ১ নম্বর সদস্য রফিকুল ইসলাম লাবু পদত্যাগ করেছেন।
কারণ হিসেবে লাবু পদত্যাগপত্রে কমিটির নেতাদের শৃঙ্খলাবর্জিত কর্মকাণ্ড, সমন্বয়হীনতা, অবাঞ্ছিত কার্যক্রম ও ব্যাপক অনিয়মের কথা বলেছেন। পাশাপাশি তিনি এক খোলা চিঠিতে উপজেলা নেতাদের বিরুদ্ধে চর দখল, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ এনেছেন।
লাবু পদত্যাগপত্রে বলেন, বর্তমান কমিটির নেতারা মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপির কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করায় তিনি পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া খোলা চিঠিতে উল্লেখ করেন, কমিটির নেতারা অসাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। তাঁরা অনবরত চর দখল ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি চালিয়ে মেহেন্দীগঞ্জকে লুটপাটতন্ত্রের আখড়ায় পরিণত করেছেন। এসব জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এমন ঘৃণিত কাজের দায়ভার নিতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অপারগ। তাই বর্তমান কমিটির ১ নম্বর সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে একই অভিযোগ তোলে কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গোলাম ওয়াহীদ হারুন পদত্যাগ করেন।
জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক দিপেন জমাদ্দার বলেন, ‘শুনেছি লাবু ভাই পদত্যাগ করেছেন। তিনি আমাদের কর্মসূচিতে আসেন না, এ কমিটি মানতেনও না। গ্রুপিংয়ের কারণে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তি নেই। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিকবার তদন্ত করেও প্রমাণ মেলেনি।’
এ প্রসঙ্গে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেজবাউদ্দিন ফরহাদ বলেন, ‘এ কমিটি থেকে এর আগে ওয়াহীদ হারুন পদত্যাগ করেছেন। চাঁদাবাজির কারণে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। বিএনপির রাজনীতি মেহেন্দীগঞ্জে নেই। সেখানে কেবল চাঁদাবাজি চলে।’
যোগাযোগ করা হলে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান শহিদুল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাবু পদত্যাগের বিষয়ে আমার সঙ্গে আলাপ করছিলেন। কমিটিটাই বিতর্কিত। এর আগে যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াহীদ হারুন পদত্যাগ করেন। এ নিয়ে পাঁচ সদস্যের দুজন পদত্যাগ করায় কমিটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমরা শিগগির মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠন করব।’
মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলবাজি প্রসঙ্গে দেওয়ান শহিদুল্লাহ বলেন, এর আগে এসব নিয়ে তদন্ত হয়েছে। কিন্তু যাঁরা ভিকটিম, তাঁরা সামনে এসে বলতে সাহস পান না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে