নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

মা ইলিশ রক্ষায় সন্ধ্যা নদীতে অভিযানে ব্যবহৃত একটি ট্রলার রাতের বেলা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমার নির্দেশে ট্রলারটি পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এমন ঘটনা ঘটে।
এ নিয়ে এলাকায় আলোচনার ঝড় বইছে। তবে ইউএনও দাবি করেছেন, ইঞ্জিন থেকে আগুন লেগেছে।
এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলার চালক আনোয়ার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ট্রলারে করে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে বের হন বাবুগঞ্জের ইউএনওসহ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক দুলাল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিমুল রানী পাল। সঙ্গে একদল পুলিশ সদস্য ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় কেদারপুর খেয়াঘাটে ফিরে আসেন তাঁরা। এ সময় জব্দ করা জাল নদী তীরে পুড়িয়ে ফেলা হয়। একপর্যায়ে ইউএনও তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আরও ইলিশ গেল কোথায়?’ ইউএনও বকাঝকা শুরু করলে তিনি সেখান থেকে সরে যান। পরে ইউএনও নুসরাত তাঁর দেহরক্ষী দুই আনসার সদস্যকে ট্রলারটি পুড়িয়ে দিতে বলেন। তখন তাঁরা ডিজেল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগুনে ট্রলারটি পুড়তে থাকলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে নেভানোর চেষ্টা করলেও তাঁদের বাধা দেন ইউএনও নুসরাত। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিমুল রানী পাল তখন পাশেই চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে তাঁরা অভিযান শেষ করে তীরে এসে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে ট্রলার মালিক আনোয়ারকে বকাঝকা করা হলে তিনি পালিয়ে যান। এরপর ইউএনওর দেহরক্ষী দুই আনসার সদস্য ডিজেল ছিটিয়ে আনোয়ারের ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দেয়।’
অভিযোগে বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা সাংবাদিকদের বলেন, অভিযানে জব্দ করা কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রলার পুড়িয়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ইউএনও দাবি করেন, জব্দ করা ইলিশ মাছ যখন এতিমখানায় বিতরণ করা হচ্ছিল তখন ট্রলারে ইঞ্জিন থেকে আগুন লেগেছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁরা গিয়ে ট্রলারটি পুড়তে দেখেছেন।
জানতে চাইলে বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার তদন্ত কমিটি গঠনের কথা নিশ্চিত করে বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, পরিবহন, মজুত ও ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা ৭ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই বরিশাল বিমানবন্দরে লাগেজ স্ক্যান করে আটটি ইলিশ পাওয়া যায়। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাংলাদেশ বিমানের দুই যাত্রীকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তাঁদের সঙ্গে থাকা আটটি ইলিশ দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

মা ইলিশ রক্ষায় সন্ধ্যা নদীতে অভিযানে ব্যবহৃত একটি ট্রলার রাতের বেলা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমার নির্দেশে ট্রলারটি পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এমন ঘটনা ঘটে।
এ নিয়ে এলাকায় আলোচনার ঝড় বইছে। তবে ইউএনও দাবি করেছেন, ইঞ্জিন থেকে আগুন লেগেছে।
এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলার চালক আনোয়ার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ট্রলারে করে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে বের হন বাবুগঞ্জের ইউএনওসহ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক দুলাল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিমুল রানী পাল। সঙ্গে একদল পুলিশ সদস্য ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় কেদারপুর খেয়াঘাটে ফিরে আসেন তাঁরা। এ সময় জব্দ করা জাল নদী তীরে পুড়িয়ে ফেলা হয়। একপর্যায়ে ইউএনও তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আরও ইলিশ গেল কোথায়?’ ইউএনও বকাঝকা শুরু করলে তিনি সেখান থেকে সরে যান। পরে ইউএনও নুসরাত তাঁর দেহরক্ষী দুই আনসার সদস্যকে ট্রলারটি পুড়িয়ে দিতে বলেন। তখন তাঁরা ডিজেল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগুনে ট্রলারটি পুড়তে থাকলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে নেভানোর চেষ্টা করলেও তাঁদের বাধা দেন ইউএনও নুসরাত। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিমুল রানী পাল তখন পাশেই চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে তাঁরা অভিযান শেষ করে তীরে এসে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে ট্রলার মালিক আনোয়ারকে বকাঝকা করা হলে তিনি পালিয়ে যান। এরপর ইউএনওর দেহরক্ষী দুই আনসার সদস্য ডিজেল ছিটিয়ে আনোয়ারের ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দেয়।’
অভিযোগে বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা সাংবাদিকদের বলেন, অভিযানে জব্দ করা কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রলার পুড়িয়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ইউএনও দাবি করেন, জব্দ করা ইলিশ মাছ যখন এতিমখানায় বিতরণ করা হচ্ছিল তখন ট্রলারে ইঞ্জিন থেকে আগুন লেগেছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁরা গিয়ে ট্রলারটি পুড়তে দেখেছেন।
জানতে চাইলে বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার তদন্ত কমিটি গঠনের কথা নিশ্চিত করে বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, পরিবহন, মজুত ও ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা ৭ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই বরিশাল বিমানবন্দরে লাগেজ স্ক্যান করে আটটি ইলিশ পাওয়া যায়। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাংলাদেশ বিমানের দুই যাত্রীকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তাঁদের সঙ্গে থাকা আটটি ইলিশ দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৬ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে