নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

ভোলার গ্যাস অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বরিশাল বিভাগের শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক খাতে সংযোগের দাবিতে নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে।
বুধবার অশ্বিনী কুমার হলের সামনে ভোলার গ্যাস রক্ষায় নাগরিক আন্দোলন জেলা কমিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়। পরে নেতা–কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলামের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেন।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ভোলার গ্যাস রক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলের নাগরিক আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার সদস্যসচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী। এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ মহানগর সভাপতি অধ্যাপক বীরেন রায়, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সদস্য সন্তু মিত্র, বরিশালের নাগরিক আন্দোলনের কর্মী কাজী মিজানুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ভোলার গ্যাস দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ব্যবহার না করে ঢাকা, গাজীপুর, আশুলিয়া, ময়মনসিংহে সরবরাহের জন্য সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রাকোর সঙ্গে যে চুক্তি করেছে তা গণবিরোধী ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। শিক্ষায়-সম্পদে সমৃদ্ধ দক্ষিণাঞ্চল সরকারের অবহেলার কারণে এখন খানাভিত্তিক দারিদ্র্যে সারা দেশে প্রথম হয়েছে। ভোলা থেকে পাইপলাইন বসানোর জন্য সরকার অর্থ বরাদ্দ দিতে রাজি হচ্ছে না অথচ ইন্ট্রাকোকে সিলিন্ডারে গ্যাস ভরে উচ্চমূল্যে বিক্রি করার অনুমতি দিচ্ছে।
বক্তারা অবিলম্বে ইন্ট্রাকোর সঙ্গে এই চুক্তি বাতিল করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভোলার গ্যাস ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের জনগণের উন্নয়নে শিল্পাঞ্চলে ও আবাসিক খাতে সংযোগ দেওয়ার দাবি জানান।
সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে নাগরিক আন্দোলনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ভোলার গ্যাস দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ব্যবহারের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

ভোলার গ্যাস অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বরিশাল বিভাগের শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক খাতে সংযোগের দাবিতে নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে।
বুধবার অশ্বিনী কুমার হলের সামনে ভোলার গ্যাস রক্ষায় নাগরিক আন্দোলন জেলা কমিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়। পরে নেতা–কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলামের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেন।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ভোলার গ্যাস রক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলের নাগরিক আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার সদস্যসচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী। এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ মহানগর সভাপতি অধ্যাপক বীরেন রায়, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সদস্য সন্তু মিত্র, বরিশালের নাগরিক আন্দোলনের কর্মী কাজী মিজানুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ভোলার গ্যাস দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ব্যবহার না করে ঢাকা, গাজীপুর, আশুলিয়া, ময়মনসিংহে সরবরাহের জন্য সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রাকোর সঙ্গে যে চুক্তি করেছে তা গণবিরোধী ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। শিক্ষায়-সম্পদে সমৃদ্ধ দক্ষিণাঞ্চল সরকারের অবহেলার কারণে এখন খানাভিত্তিক দারিদ্র্যে সারা দেশে প্রথম হয়েছে। ভোলা থেকে পাইপলাইন বসানোর জন্য সরকার অর্থ বরাদ্দ দিতে রাজি হচ্ছে না অথচ ইন্ট্রাকোকে সিলিন্ডারে গ্যাস ভরে উচ্চমূল্যে বিক্রি করার অনুমতি দিচ্ছে।
বক্তারা অবিলম্বে ইন্ট্রাকোর সঙ্গে এই চুক্তি বাতিল করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভোলার গ্যাস ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের জনগণের উন্নয়নে শিল্পাঞ্চলে ও আবাসিক খাতে সংযোগ দেওয়ার দাবি জানান।
সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে নাগরিক আন্দোলনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ভোলার গ্যাস দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ব্যবহারের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে