পাবনার ঈশ্বরদীতে বস্তায় ভরে পানিতে ফেলে আটটি কুকুরছানা হত্যার দেড় মাসের মধ্যে এবার পাবনা শহরে তিনটি কুকুরকে বিষপ্রয়োগে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পাবনা পৌর শহরের কাচারীপাড়ার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী কুকুরমালিকের। তবে পুলিশের দাবি, মামলার শর্তাবলি পূরণ না হওয়ায় মামলা নেওয়া হয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) কুকুর তিনটি মারা যায়।
কুকুরমালিক হারুনর রশিদ জানান, তাঁর তিনটি পোষা কুকুর ছিল। কুকুর তিনটির চিৎকারে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন—কুকুর তিনটি যন্ত্রণায় ছটফট করছে। স্থানীয় পশুচিকিৎসককে খবর দিলে তিনি এসে কুকুর তিনটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান—বিষক্রিয়ায় কুকুর তিনটি ছটফট করছে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন সকাল ৮টার দিকে দুটি এবং বেলা দেড়টার দিকে অপর একটি কুকুর মারা যায়।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে গতকাল রাতে পাবনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়। তবে পুলিশ মামলা না নেওয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগী কুকুরমালিকের।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, মামলা না নেওয়ার কোনো কারণ নেই। অভিযোগটি অসমাপ্ত ছিল। মামলার শর্তাবলি পূরণ না হওয়ায় মামলা নেওয়া হয়নি। তাঁরা শর্ত পূরণ করে এলেই মামলা নেওয়া হবে।
কী শর্ত—জানতে চাইলে ওসি বলেন, ওই তিনটি কুকুর যে বিষপ্রয়োগে মারা গেছে, একজন পশুচিকিৎসককে সার্টিফিকেট দিতে হবে। সেটা সংযুক্ত করে অভিযোগ দিতে হবে।
ওসি আরও বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার সকালে একজন পুলিশ অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কুকুর হত্যাকারীকে শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।
কুকুরমালিক হারুনর রশিদ বলেন, ‘আমরা পশুপ্রাণী নিয়ে কাজ করছি। থানা মামলা না নেওয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। আমরা চাই, কুকুর হত্যাকারীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।’
এ বিষয়ে নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিউনিটি পাবনা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাহমুদ বলেন, ‘মানুষ দিন দিন মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছে। এর আগেও আটটি কুকুরছানা হত্যা করা হয়েছিল, এবার তিনটি কুকুরকে হত্যা। এগুলো খুবই হতাশা আর দুঃখজনক। আমরা মর্মাহত।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর আটটি জীবিত কুকুরছানাকে বস্তাবন্দী করে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ ওঠে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী নিশি খাতুনের বিরুদ্ধে। পরে এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে