নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

ছাত্রলীগ নেতা রইজ আহমেদ মান্নাকে সম্পাদক করে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের নতুন কমিটি গতকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয়েছে। ২৮ সদস্যের এই কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মেয়র খোকন গ্রুপ ও সাদিক গ্রুপের বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। আজ শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে বরিশালে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বিস্তারিত বলতে রাজি না হলেও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার আলী আশ্রাফ ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই পক্ষে সংঘাত বাধলে শ্রমিকদের বাস টার্মিনাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। বাস টার্মিনালের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। টার্মিনাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাসটার্মিনালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আজ শুক্রবার নগরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত এবং বিদায়ী মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারীরা দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় দুই পক্ষের শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর চালায়।
নবনির্বাচিত মেয়র খোকন অনুসারীরা ঘোষিত বিতর্কিত নগর শ্রমিক লীগের কমিটি বাতিল চেয়ে বিক্ষোভ করে। এর পরপরই মেয়র সাদিক অনুসারীরা বাস টার্মিনালে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষ হয়। এ সময় কমপক্ষে ২০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সদ্য গঠিত মহানগর শ্রমিক লীগের কমিটি বিতর্কিত দাবি করে মেয়র খোকন অনুসারী শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেনের নেতৃত্বে শ্রমিকেরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় তারা ছাত্রলীগের কর্মী দিয়ে গঠিত হওয়া নবগঠিত শ্রমিক লীগের কমিটি বাতিল দাবি করেন।
এ সময় শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে টার্মিনালের মধ্যে প্রবেশ করেন সাদিক অনুসারী শ্রমিক নেতা কালাম হোসেন লিটন মোল্লা। একপর্যায়ে লিটনের অনুসারীরা হামলা চালায় আফতাবের শ্রমিকদের ওপর। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ দেখা দেয়। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হামলার সময় নথুল্লাবাদ টার্মিনালের ভেতরে বেশ কয়েকটি টিকিট কাউন্টার ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। টার্মিনাল সংলগ্ন সড়কে এলোপাতাড়ি বাস রাখা হলে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যানবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ২০ শ্রমিক আহত হন। প্রায় দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধে দুর্ভোগ দেখা দিলে প্রশাসনের অনুরোধে তা তুলে নেওয়া হয়।
খোকন অনুসারী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার আজকের পত্রিকাকে বলেন, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টার থেকে মেয়র সাদিকের অনুসারী মান্না চাঁদা তুলতো। নতুন পরিবহন আসলেও প্রায় ১০ লাখ টাকা দিতে হতো। সেখানকার বাঙালি হোটেল মান্না দখল করেছে। টার্মিনালের লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়ায় নতুন করে বিতর্কিত মান্নাকে শ্রমিক লীগের সম্পাদক করেছে মেয়র সাদিক। অথচ এই মান্না নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।
মেয়র সাদিক অনুসারী লিটন মোল্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, তারা শ্রমিক ইউনিয়নের একটি নির্বাচন চেয়েছেন। ইউনিয়নের যে অবৈধ কমিটি আছে তা তারা মানেন না। আগামী ১০ দিনের মধ্যে দাবি মানা না হলে কর্মবিরতিতে নামবেন শ্রমিকরা।
তবে বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি আফতাব হোসেন জানান, বিদায়ী মেয়র সাদিকের ইন্ধনে লিটন মোল্লা টার্মিনালে অরাজকতা চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রমিকলীগের কমিটিতে বিতর্কিত ছাত্রলীগ ক্যাডার রইজ আহমেদ মান্নাকে সম্পাদক করা হয়েছে। অথচ অনেক যোগ্য শ্রমিক নেতা কমিটিতে ঠাই পায়নি। এ কমিটি বাতিল না হলে কঠোর আন্দোলন চলবে।
এ প্রসঙ্গে নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত আজকের পত্রিকাকে বলেন, কেউ যদি শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে, অবাঞ্ছিত ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, তাহলে নগর পরিচালনায় যা করার তাই করব। তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, হঠাৎ করে শ্রমিক লীগের কমিটিতে বিতর্কিতদের আনা দুরভিসন্ধি এবং উদ্দেশ্যমূলক। নগরবাসী জানেন এরা পূর্বে কেমন ছিল। এর আগেও সিটি নির্বাচনকালীন অবস্থায় নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় মান্না। তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। আবার সেই মান্নাকেই পুন: প্রতিষ্ঠিত করায় নৈরাজ্য তৈরি হয়। মেয়র এবং স্থানীয় এমপি হিসেবে আমরা কঠোর হস্তে দায়িত্ব পালন করব।

ছাত্রলীগ নেতা রইজ আহমেদ মান্নাকে সম্পাদক করে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের নতুন কমিটি গতকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয়েছে। ২৮ সদস্যের এই কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মেয়র খোকন গ্রুপ ও সাদিক গ্রুপের বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। আজ শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে বরিশালে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বিস্তারিত বলতে রাজি না হলেও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার আলী আশ্রাফ ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই পক্ষে সংঘাত বাধলে শ্রমিকদের বাস টার্মিনাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। বাস টার্মিনালের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। টার্মিনাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাসটার্মিনালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আজ শুক্রবার নগরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত এবং বিদায়ী মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারীরা দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় দুই পক্ষের শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর চালায়।
নবনির্বাচিত মেয়র খোকন অনুসারীরা ঘোষিত বিতর্কিত নগর শ্রমিক লীগের কমিটি বাতিল চেয়ে বিক্ষোভ করে। এর পরপরই মেয়র সাদিক অনুসারীরা বাস টার্মিনালে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষ হয়। এ সময় কমপক্ষে ২০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সদ্য গঠিত মহানগর শ্রমিক লীগের কমিটি বিতর্কিত দাবি করে মেয়র খোকন অনুসারী শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেনের নেতৃত্বে শ্রমিকেরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় তারা ছাত্রলীগের কর্মী দিয়ে গঠিত হওয়া নবগঠিত শ্রমিক লীগের কমিটি বাতিল দাবি করেন।
এ সময় শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে টার্মিনালের মধ্যে প্রবেশ করেন সাদিক অনুসারী শ্রমিক নেতা কালাম হোসেন লিটন মোল্লা। একপর্যায়ে লিটনের অনুসারীরা হামলা চালায় আফতাবের শ্রমিকদের ওপর। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ দেখা দেয়। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হামলার সময় নথুল্লাবাদ টার্মিনালের ভেতরে বেশ কয়েকটি টিকিট কাউন্টার ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। টার্মিনাল সংলগ্ন সড়কে এলোপাতাড়ি বাস রাখা হলে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যানবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ২০ শ্রমিক আহত হন। প্রায় দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধে দুর্ভোগ দেখা দিলে প্রশাসনের অনুরোধে তা তুলে নেওয়া হয়।
খোকন অনুসারী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার আজকের পত্রিকাকে বলেন, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টার থেকে মেয়র সাদিকের অনুসারী মান্না চাঁদা তুলতো। নতুন পরিবহন আসলেও প্রায় ১০ লাখ টাকা দিতে হতো। সেখানকার বাঙালি হোটেল মান্না দখল করেছে। টার্মিনালের লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়ায় নতুন করে বিতর্কিত মান্নাকে শ্রমিক লীগের সম্পাদক করেছে মেয়র সাদিক। অথচ এই মান্না নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।
মেয়র সাদিক অনুসারী লিটন মোল্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, তারা শ্রমিক ইউনিয়নের একটি নির্বাচন চেয়েছেন। ইউনিয়নের যে অবৈধ কমিটি আছে তা তারা মানেন না। আগামী ১০ দিনের মধ্যে দাবি মানা না হলে কর্মবিরতিতে নামবেন শ্রমিকরা।
তবে বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি আফতাব হোসেন জানান, বিদায়ী মেয়র সাদিকের ইন্ধনে লিটন মোল্লা টার্মিনালে অরাজকতা চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রমিকলীগের কমিটিতে বিতর্কিত ছাত্রলীগ ক্যাডার রইজ আহমেদ মান্নাকে সম্পাদক করা হয়েছে। অথচ অনেক যোগ্য শ্রমিক নেতা কমিটিতে ঠাই পায়নি। এ কমিটি বাতিল না হলে কঠোর আন্দোলন চলবে।
এ প্রসঙ্গে নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত আজকের পত্রিকাকে বলেন, কেউ যদি শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে, অবাঞ্ছিত ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, তাহলে নগর পরিচালনায় যা করার তাই করব। তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, হঠাৎ করে শ্রমিক লীগের কমিটিতে বিতর্কিতদের আনা দুরভিসন্ধি এবং উদ্দেশ্যমূলক। নগরবাসী জানেন এরা পূর্বে কেমন ছিল। এর আগেও সিটি নির্বাচনকালীন অবস্থায় নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় মান্না। তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। আবার সেই মান্নাকেই পুন: প্রতিষ্ঠিত করায় নৈরাজ্য তৈরি হয়। মেয়র এবং স্থানীয় এমপি হিসেবে আমরা কঠোর হস্তে দায়িত্ব পালন করব।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে