হিজলা প্রতিনিধি

বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা ও জয়ন্তিকা নদীতে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান নামে নাটকীয়তা চলছে। হিজলা উপজেলা মৎস্য দপ্তর, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের নদীতে অভিযান নিয়েও রয়েছে সচেতন মহলের নানা প্রশ্ন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান নিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন সমালোচনামূলক লেখালেখি হচ্ছে। এসব বিষয় দেখার পরেও হিজলা উপজেলা প্রশাসন কঠোর ভূমিকা পালন করছে না। মা ইলিশ রক্ষা অভিযান শুরু হলে মা ইলিশ নিধন সিন্ডিকেট চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা মৎস্য দপ্তর, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ম্যানেজ করে অবাধে মেঘনা নদীতে মা ইলিশ জেলেদের দিয়ে শিকার করায়।
উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নে মা ইলিশ বিক্রির জন্য জন্য চর আবুপুর ও আশুলী আবুপুর রাস্তার ওপর ইলিশ কেনাবেচার জন্য বিশাল হাট বসে। সেখান থেকে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট থানার বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজন এসে অবাধে মা ইলিশ ক্রয় করে।
আশুলী আবুপুরের মা ইলিশ বিক্রির সিন্ডিকেট গ্রুপের মোসলেম আকন বলেন, `আমি মাছ ধরি না, বিক্রিও করি না। সকাল হলে মাঝেমধ্যে এখানে আসি।'
জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জাকির সরদার জানান, 'অভিযান বলতে কিছুই নেই। বিগত কোনো বছর এমন অভিযান দেখিনি। জেলেদের কোনো দোষ নেই। কেননা, তারা টাকা দিয়ে মা ইলিশ ধরে। হিজলা উপজেলার মা ইলিশ রক্ষার দায়িত্বে থাকা অনেক প্রশাসন বুকিং হয়ে গেছে। তাই আমাদের আর কিছুর রলার নেই, আমরা নিরুপায়।'
হিজলা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সোহেল রানা বলেন, নদীতে কোনো জেলে নেই। যদি নদীর ওপরে কোনো মা ইলিশ বিক্রির হাট বসে থাকে, তবে সেটা থানার পুলিশ দেখবে।
হিজলা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল হালিম বলেন, `আমি নদীতে আছি, আমার চোখে কোনো জেলের নৌকা পড়ে নাই। তবে চর আবুপুর ও আশুলী আবুপুরে মা ইলিশের যে হাট বসে, এই সংবাদ পেয়েছি। এটা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।'

বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা ও জয়ন্তিকা নদীতে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান নামে নাটকীয়তা চলছে। হিজলা উপজেলা মৎস্য দপ্তর, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের নদীতে অভিযান নিয়েও রয়েছে সচেতন মহলের নানা প্রশ্ন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান নিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন সমালোচনামূলক লেখালেখি হচ্ছে। এসব বিষয় দেখার পরেও হিজলা উপজেলা প্রশাসন কঠোর ভূমিকা পালন করছে না। মা ইলিশ রক্ষা অভিযান শুরু হলে মা ইলিশ নিধন সিন্ডিকেট চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা মৎস্য দপ্তর, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ম্যানেজ করে অবাধে মেঘনা নদীতে মা ইলিশ জেলেদের দিয়ে শিকার করায়।
উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নে মা ইলিশ বিক্রির জন্য জন্য চর আবুপুর ও আশুলী আবুপুর রাস্তার ওপর ইলিশ কেনাবেচার জন্য বিশাল হাট বসে। সেখান থেকে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট থানার বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজন এসে অবাধে মা ইলিশ ক্রয় করে।
আশুলী আবুপুরের মা ইলিশ বিক্রির সিন্ডিকেট গ্রুপের মোসলেম আকন বলেন, `আমি মাছ ধরি না, বিক্রিও করি না। সকাল হলে মাঝেমধ্যে এখানে আসি।'
জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জাকির সরদার জানান, 'অভিযান বলতে কিছুই নেই। বিগত কোনো বছর এমন অভিযান দেখিনি। জেলেদের কোনো দোষ নেই। কেননা, তারা টাকা দিয়ে মা ইলিশ ধরে। হিজলা উপজেলার মা ইলিশ রক্ষার দায়িত্বে থাকা অনেক প্রশাসন বুকিং হয়ে গেছে। তাই আমাদের আর কিছুর রলার নেই, আমরা নিরুপায়।'
হিজলা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সোহেল রানা বলেন, নদীতে কোনো জেলে নেই। যদি নদীর ওপরে কোনো মা ইলিশ বিক্রির হাট বসে থাকে, তবে সেটা থানার পুলিশ দেখবে।
হিজলা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল হালিম বলেন, `আমি নদীতে আছি, আমার চোখে কোনো জেলের নৌকা পড়ে নাই। তবে চর আবুপুর ও আশুলী আবুপুরে মা ইলিশের যে হাট বসে, এই সংবাদ পেয়েছি। এটা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।'

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে