
বরিশালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন কয়েক ছাত্র। পরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত পরিচালক ডা. এস.এম মনিরুজ্জামানকে নিয়ে বিএনপিপন্থী সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) বিরোধের জেরে গত তিন দিন ধরে এ ঘটনা ঘটছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুপুরে তালা লাগানোর নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম। এর আগে গতকাল বুধবার তাঁর নেতৃত্বে মনিরুজ্জামানকে টেনে বের করে পরিচালকের কক্ষে তালা দেওয়া হয়।
পরিচালকের কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী জানান, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ডা. সেলিমের নেতৃত্বে মেডিকেল কলেজের কয়েক ছাত্র পরিচালকের দপ্তরে যান। সকালে পরিচালক তাঁর দপ্তরে আসার বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ছাত্ররা। এর পরই ছাত্ররা ভবনের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেন।
কর্মচারীরা জানিয়েছেন, এতে সহকারী পরিচালকসহ ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ভেতরে আটকা পড়েন। জোহরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়া ৪ জন ভেতরে ঢুকতে পারেননি। অবরুদ্ধ থাকার বিষয়টি মন্ত্রণালয়সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জহির রায়হান পুলিশসহ বিকেলে তালা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করেন।
জানতে চাইলে ড্যাব নেতা ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম জানান, পরিচালক ৫ দিনের ছুটিতে আছেন। অথচ বৃহস্পতিবার সকালে বহিরাগতদের নিয়ে দপ্তরে গিয়ে ছাত্রদের দেওয়া তালা ভেঙেছেন। এতে ক্ষুব্ধ ছাত্ররা আবারও ওই দপ্তরে গিয়েছিলেন। খবর পেয়ে তিনিও সেখানে যান। তিনি চলে আসার পরে ছাত্ররা তালা লাগিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমার অফিসে আমি গিয়েছি। ছুটি থাকলে যাওয়া যাবে না, এমন কোনো আইন নেই। বরং যিনি (ডা. সেলিম) গিয়েছেন, তিনি বহিরাগত। আগের দিনও তিনি বিপুলসংখ্যক বহিরাগত নিয়ে সরকারি অফিসে বিশৃঙ্খলা করেছেন।,
স্বাস্থ্যের বিভাগীয় সহকারী পরিচালক ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, বেলা ১টার দিকে কিছু লোক প্রথমে দপ্তরে ঢুকে। পরে তারা প্রধান ফটকে তালা মেরে চলে যায়। তিনি নিজ কক্ষের মধ্যে থাকায় কারা গিয়েছিল বা তালা মেরেছে তা তিনি দেখেননি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হলে বিকেলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তালা ভাঙা হয়েছে।

গাইবান্ধায় এবার নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে ছাপরাঘরে কিংবা খোলা আকাশের নিচে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও কিছু বিদ্যালয় ঝুঁকিতে রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচারে জালিয়াতির নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় গঠন করা তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মরত প্রায় ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধের চারটি পৃথক স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশে ধস দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে বাঁধে নতুন করে ৩৫ মিটার ধস সৃষ্টি হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর দিকে একতলা ভবন। পূর্ব পাশে আরেকটি দোতলা ভবন। মাত্র ৫২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের কারণে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি ছোট হয়ে গেছে। গত সোমবার কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে