হৃদয় হোসেন মুন্না, বেতাগী (বরগুনা)

কোরবানির আগে বরগুনার বেতাগীতে গবাদিপশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের (এলএসডি) প্রকোপ দেখা দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় খামারিরা। রোগের লক্ষণ বোঝার আগেই মারা যাচ্ছে গবাদিপশু। এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক না থাকায় খামারিরা রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।
বেতাগী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেতাগী উপজেলায় ৫ শতাধিক গবাদিপশু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত। সরকারি হিসাবে দুটি গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে মারা গেছে। তবে বেসরকারিভাবে এ পর্যন্ত এ উপজেলার একটি পৌরসভাসহ সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে ১০টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কৃষক ও খামারিদের অভিযোগ, কোরবানির ঈদের আগে এ রোগটি ব্যাপক আকার ধারণ করলেও মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে না প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। ফলে গ্রামের কিছু পশুচিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা। এতে গরুর ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না।
বেতাগী উপজেলা ডেইরি ফার্ম মালিক সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন পিযুষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, বেতাগী উপজেলায় প্রায় এক হাজারেরও বেশি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। প্রায় প্রতিটা খামারে দু-একটি আক্রান্ত গরু রয়েছে। দ্রুত এ রোগ ছড়িয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন খামারমালিকেরা। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির এ পরিস্থিতিতে আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে।
উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের দেশান্তরকাঠি গ্রামের লাল মিয়া খান বলেন, গত সপ্তাহে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর একটি গরু মারা গেছে। ওই গরুটির চিকিৎসা চলা অবস্থায় আরও একটি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়। গরুটি কোরবানি উপলক্ষে বিক্রির জন্য তিনি প্রস্তুত করেছিলেন। গরুটি মারা যাওয়ায় তার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
একই গ্রামের আলকাছ হাওলাদার বলেন, তিন-চার দিন আগে প্রথমে একটি গরুর শরীরে প্রথমে গোটা ওঠে। পরে গলা ফুলে যায়, মুখ দিয়ে লালা পড়ে। গরু কোনো কিছু খেতে পারছে না। গরুটির চিকিৎসা চলা অবস্থায় আরও দুটি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়। সঠিক চিকিৎসা না থাকায় তিনি ভীষণ চিন্তায় আছেন।
উপজেলার খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার পল্লি চিকিৎসক নিপু গোমেজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, মে মাসের মাঝামাঝি থেকে এ উপজেলায় লাম্পি স্কিন ডিজিজের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। দিনে দিনে এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে। মুখমণ্ডল থেকে পায়ে গুঁটি গুঁটি উপসর্গ নিয়ে এই রোগ আক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু। শুরুতে ১০৪-১০৫ তাপমাত্রার পর্যন্ত উত্তাপ উঠছে গবাদিপশুর শরীরে। পরে শরীরে গুঁটি গুঁটি ফোড়া ওঠে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। বর্তমানে প্রায়ই রাত জেগে তাঁকে এ রোগের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
ভেটেরিনারি সার্জন ও বেতাগী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. আশরাফ হোসেনের দাবি লাম্পি স্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাঁচ শতাধিক গরু ইতিমধ্যে লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে দুটি। গরুর লাম্পি স্কিন রোগ ছোঁয়াচে না হওয়ায় দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আমরা আশা করছি, এ রোগের কারণে বাজারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত গরুতে কোনো সংকট পড়বে না। বর্ষা মৌসুমে এই রোগ বেশি হয়। এ নিয়ে গরুর মালিক ও খামারিদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। আক্রান্ত গরুগুলোকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সাত-আট দিনের চিকিৎসায় আক্রান্ত গরু সুস্থ হয়ে ওঠে।’

কোরবানির আগে বরগুনার বেতাগীতে গবাদিপশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের (এলএসডি) প্রকোপ দেখা দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় খামারিরা। রোগের লক্ষণ বোঝার আগেই মারা যাচ্ছে গবাদিপশু। এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক না থাকায় খামারিরা রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।
বেতাগী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেতাগী উপজেলায় ৫ শতাধিক গবাদিপশু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত। সরকারি হিসাবে দুটি গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে মারা গেছে। তবে বেসরকারিভাবে এ পর্যন্ত এ উপজেলার একটি পৌরসভাসহ সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে ১০টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কৃষক ও খামারিদের অভিযোগ, কোরবানির ঈদের আগে এ রোগটি ব্যাপক আকার ধারণ করলেও মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে না প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। ফলে গ্রামের কিছু পশুচিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা। এতে গরুর ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না।
বেতাগী উপজেলা ডেইরি ফার্ম মালিক সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন পিযুষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, বেতাগী উপজেলায় প্রায় এক হাজারেরও বেশি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। প্রায় প্রতিটা খামারে দু-একটি আক্রান্ত গরু রয়েছে। দ্রুত এ রোগ ছড়িয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন খামারমালিকেরা। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির এ পরিস্থিতিতে আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে।
উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের দেশান্তরকাঠি গ্রামের লাল মিয়া খান বলেন, গত সপ্তাহে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর একটি গরু মারা গেছে। ওই গরুটির চিকিৎসা চলা অবস্থায় আরও একটি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়। গরুটি কোরবানি উপলক্ষে বিক্রির জন্য তিনি প্রস্তুত করেছিলেন। গরুটি মারা যাওয়ায় তার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
একই গ্রামের আলকাছ হাওলাদার বলেন, তিন-চার দিন আগে প্রথমে একটি গরুর শরীরে প্রথমে গোটা ওঠে। পরে গলা ফুলে যায়, মুখ দিয়ে লালা পড়ে। গরু কোনো কিছু খেতে পারছে না। গরুটির চিকিৎসা চলা অবস্থায় আরও দুটি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়। সঠিক চিকিৎসা না থাকায় তিনি ভীষণ চিন্তায় আছেন।
উপজেলার খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার পল্লি চিকিৎসক নিপু গোমেজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, মে মাসের মাঝামাঝি থেকে এ উপজেলায় লাম্পি স্কিন ডিজিজের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। দিনে দিনে এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে। মুখমণ্ডল থেকে পায়ে গুঁটি গুঁটি উপসর্গ নিয়ে এই রোগ আক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু। শুরুতে ১০৪-১০৫ তাপমাত্রার পর্যন্ত উত্তাপ উঠছে গবাদিপশুর শরীরে। পরে শরীরে গুঁটি গুঁটি ফোড়া ওঠে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। বর্তমানে প্রায়ই রাত জেগে তাঁকে এ রোগের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
ভেটেরিনারি সার্জন ও বেতাগী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. আশরাফ হোসেনের দাবি লাম্পি স্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাঁচ শতাধিক গরু ইতিমধ্যে লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে দুটি। গরুর লাম্পি স্কিন রোগ ছোঁয়াচে না হওয়ায় দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আমরা আশা করছি, এ রোগের কারণে বাজারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত গরুতে কোনো সংকট পড়বে না। বর্ষা মৌসুমে এই রোগ বেশি হয়। এ নিয়ে গরুর মালিক ও খামারিদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। আক্রান্ত গরুগুলোকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সাত-আট দিনের চিকিৎসায় আক্রান্ত গরু সুস্থ হয়ে ওঠে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে