আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার তালতলী উপজেলার পায়রা নদী থেকে জেলের বড়শিতে ১১ কেজি ওজনের একটি পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অঙ্কুজানপাড়া এলাকার জেলে মো. শাহ আলম মিয়া বড়শি দিয়ে মাছটি ধরেন। মাছটি ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি।
জানা গেছে, আজ সকালে নদীতে বড়শি ফেলেন জেলে মো. শাহ আলম। পরে বড়শি তুলতে গিয়ে দেখেন একটি বড় পাঙাশ ধরা পড়েছে। পরে মাছটি তিনি তালতলী বাজারে নিয়ে ব্যবসায়ী মো. আল-আমিনের কাছে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।
জেলে মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, ‘আমি পায়রা নদীতে নিয়মিত বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করি। কিন্তু সহজে এত বড় মাছ ধরা পড়ে না। বড়শিতে ১১ কেজি ওজনের পাঙাশ মাছটি পেয়ে আমি খুশি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’
মাছ ব্যবসায়ী মো. আল-আমিন বলেন, ‘অনেক দর-কষাকষি করে মাছটি ৯ হাজার টাকায় কিনেছি। মাছটি কেটে বাজারে বিক্রি করা হয়েছে।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, ‘সরকার বিভিন্ন সময় সাগর এবং নদ-নদীতে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে। একই সঙ্গে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ থাকার ফলে নদীতে মাছ বেড়েছে। এর সুফল হিসেবেই এত বড় পাঙাশ নদীতে ধরা পড়েছে।

বরগুনার তালতলী উপজেলার পায়রা নদী থেকে জেলের বড়শিতে ১১ কেজি ওজনের একটি পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অঙ্কুজানপাড়া এলাকার জেলে মো. শাহ আলম মিয়া বড়শি দিয়ে মাছটি ধরেন। মাছটি ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি।
জানা গেছে, আজ সকালে নদীতে বড়শি ফেলেন জেলে মো. শাহ আলম। পরে বড়শি তুলতে গিয়ে দেখেন একটি বড় পাঙাশ ধরা পড়েছে। পরে মাছটি তিনি তালতলী বাজারে নিয়ে ব্যবসায়ী মো. আল-আমিনের কাছে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।
জেলে মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, ‘আমি পায়রা নদীতে নিয়মিত বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করি। কিন্তু সহজে এত বড় মাছ ধরা পড়ে না। বড়শিতে ১১ কেজি ওজনের পাঙাশ মাছটি পেয়ে আমি খুশি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’
মাছ ব্যবসায়ী মো. আল-আমিন বলেন, ‘অনেক দর-কষাকষি করে মাছটি ৯ হাজার টাকায় কিনেছি। মাছটি কেটে বাজারে বিক্রি করা হয়েছে।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, ‘সরকার বিভিন্ন সময় সাগর এবং নদ-নদীতে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে। একই সঙ্গে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ থাকার ফলে নদীতে মাছ বেড়েছে। এর সুফল হিসেবেই এত বড় পাঙাশ নদীতে ধরা পড়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে