বান্দরবান প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগে ও সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে বান্দরবান শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সম্মিলিত আদিবাসী ছাত্র সমাজ।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের রাজবাড়ীর মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা সেখানে সমাবেশ করে। তাদের হাতে বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও প্লাকার্ড ছিল।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য জেলাগুলোতে পাহাড়িরা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। কিছু কিছু দুর্বৃত্ত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাড়ি-ঘরে আগুন দিচ্ছে এবং হামলা করছে। অনতিবিলম্বে খাগড়াছড়ির ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনন্ত তঞ্চঙ্গ্যার সঞ্চালনায় বান্দরবান মারমা স্টুডেন্ট কাউন্সিলের সভাপতি অংশৈসিং মারমা, শিক্ষার্থী বিটন তঞ্চঙ্গ্যা, জন ত্রিপুরা, মাখ্যাই মারমা, টনয়া ম্রোসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে বান্দরবান শহরে মশাল নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন শত শত পাহাড়ি ছাত্রছাত্রী।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার সকালে চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের নোয়াপাড়া-নিউজিল্যান্ড সড়কে মো. মামুন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এর প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভটি লারমা স্কয়ার অতিক্রম করার সময় কিছু পাহাড়ি শিক্ষার্থীর সঙ্গে বাঙালিদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে লারমা স্কয়ারে ৬০টি দোকানে বিক্ষুব্ধরা আগুন দেয়।
এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন। বর্তমানে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে আর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
আরও পড়ুন—

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগে ও সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে বান্দরবান শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সম্মিলিত আদিবাসী ছাত্র সমাজ।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের রাজবাড়ীর মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা সেখানে সমাবেশ করে। তাদের হাতে বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও প্লাকার্ড ছিল।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য জেলাগুলোতে পাহাড়িরা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। কিছু কিছু দুর্বৃত্ত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাড়ি-ঘরে আগুন দিচ্ছে এবং হামলা করছে। অনতিবিলম্বে খাগড়াছড়ির ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনন্ত তঞ্চঙ্গ্যার সঞ্চালনায় বান্দরবান মারমা স্টুডেন্ট কাউন্সিলের সভাপতি অংশৈসিং মারমা, শিক্ষার্থী বিটন তঞ্চঙ্গ্যা, জন ত্রিপুরা, মাখ্যাই মারমা, টনয়া ম্রোসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে বান্দরবান শহরে মশাল নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন শত শত পাহাড়ি ছাত্রছাত্রী।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার সকালে চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের নোয়াপাড়া-নিউজিল্যান্ড সড়কে মো. মামুন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এর প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভটি লারমা স্কয়ার অতিক্রম করার সময় কিছু পাহাড়ি শিক্ষার্থীর সঙ্গে বাঙালিদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে লারমা স্কয়ারে ৬০টি দোকানে বিক্ষুব্ধরা আগুন দেয়।
এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন। বর্তমানে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে আর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
আরও পড়ুন—

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে