
একমাত্র মেয়ে ১১ বছর বয়সী সংগীতাকে নিয়ে দিনমজুর আনন্দ মিস্ত্রি (৪০) ও লোপা হালদার (৩৩) দম্পতির সংসার। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দড়িউমাজুড়ি গ্রামে তাঁদের থাকার ঘরটি পুড়ে যায় বজ্রপাতে। এতে আনন্দ মিস্ত্রির পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেলেও তাঁরা প্রাণে বাঁচেন।
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার। এ সময় বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মশিউর রহমান খানের প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গাজী মুনিরুজ্জামানও উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে শুকনা খাবার দেওয়া হয় এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত আনন্দ মিস্ত্রি ও লোপা হালদার বলেন, দিনমজুরি করে কোনোরকমে তাঁদের সংসার চলত। বহু কষ্টে গড়ে তোলা সেই ঘরবাড়ি ও মালপত্র আগুনে পুড়ে গেছে। এখন তাঁদের মেয়ের পড়াশোনাও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। আত্মীয়ের বাড়িতে না থাকলে তাঁরাও হয়তো প্রাণ হারাতেন।
চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লিডার এস এম আব্দুর রহিম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে তাঁদের পৌঁছানোর আগেই ঘরের সবকিছু পুড়ে যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পরে সহযোগিতা করা হবে।

ডিএমপি জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
৩ মিনিট আগে
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ, শিশুসহ মোট নয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে তাঁরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। বর্তমানে তাঁরা দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
৫ মিনিট আগে
শুভ্রকে গ্রেপ্তারের জন্য মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বনানীর ১৫ নম্বর সড়কের ৫৪ নম্বর বাড়িতে অভিযানে যায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বনানী থানা-পুলিশ। প্রথমে ভবনের গেটে তালা এবং নিরাপত্তাকর্মীরা অসহযোগিতা করায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি পুলিশ।
১৫ মিনিট আগে
রাজধানীর দরিদ্র শ্রমজীবীদের তিন বড় আবাসস্থল কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলা বস্তির বাসিন্দাদের জন্য সমন্বিত পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হতে...
৭ ঘণ্টা আগে