শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপে উত্তাল রয়েছে সাগর। মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপকূলে ফিরে এসেছেন। ফিশিং বোটবহর সুন্দরবনসহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
শরণখোলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির মজিবর রহমান বলেন, লঘুচাপের কারণে গত দুদিন ধরে বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। সাগর উত্তাল হওয়ায় মাছ ধরতে না পেরে উপকূলে ছুটছে ফিশিংবোট। কিছু ফিশিংবোট সুন্দরবনের দুবলার আলোরকোল, ভেদাখালী, কটকা ও কচিখালী খালে এবং কয়েকশ ফিশিংবোট বরগুনার মহিপুর, খেপুপাড়া, নিদ্রাসখিনা, লালদিয়া, পাথরঘাটাসহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।
দুবলার মাঝেরকেল্লায় মাছ ধরতে যাওয়া জেলে বাদল হোসেন বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে কিছু ফিশিংবোট ঝুঁকি নিয়ে এখনো সাগরে মাছ ধরছে।
বরগুনার তালতলীর নিদ্রাসখিনা থেকে ফিশিংবোট এফবি ভাই ভাইয়ের মালিক জলিল ফকির মোবাইল ফোনে বলেন, প্রবল ঢেউয়ের কারণে সাগরে জাল ফেলতে না পেরে জেলেরা বোট নিয়ে ঘাটে ফিরে এসেছে।
শরণখোলার রাজৈর মৎস্য ঘাটের আড়তদার কবীর হোসেন বলেন, সাগরে লঘুচাপের ফলে ফিশিংবোটগুলো ঘাটে নোঙর করে আছে।
বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বারবার বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ছে। মাছ ধরা বন্ধ রেখে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছে তারা। বোট ও মালিকেরা ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়ছে।
সুন্দরবনের জেলে পল্লি দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ফরেস্টের মো. নাসির উদ্দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে মোবাইল ফোনে জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগরে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে। প্রবল ঝোড়োবাতাস বইছে।
দুর্যোগের কারণে আশ্রয় নেওয়া ফিশিংবোট সুন্দরবনের খালে নিরাপদে থাকায় সহযোগিতা করার জন্য বনরক্ষীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) শেখ মাহবুব হোসেন।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপে উত্তাল রয়েছে সাগর। মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপকূলে ফিরে এসেছেন। ফিশিং বোটবহর সুন্দরবনসহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
শরণখোলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির মজিবর রহমান বলেন, লঘুচাপের কারণে গত দুদিন ধরে বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। সাগর উত্তাল হওয়ায় মাছ ধরতে না পেরে উপকূলে ছুটছে ফিশিংবোট। কিছু ফিশিংবোট সুন্দরবনের দুবলার আলোরকোল, ভেদাখালী, কটকা ও কচিখালী খালে এবং কয়েকশ ফিশিংবোট বরগুনার মহিপুর, খেপুপাড়া, নিদ্রাসখিনা, লালদিয়া, পাথরঘাটাসহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।
দুবলার মাঝেরকেল্লায় মাছ ধরতে যাওয়া জেলে বাদল হোসেন বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে কিছু ফিশিংবোট ঝুঁকি নিয়ে এখনো সাগরে মাছ ধরছে।
বরগুনার তালতলীর নিদ্রাসখিনা থেকে ফিশিংবোট এফবি ভাই ভাইয়ের মালিক জলিল ফকির মোবাইল ফোনে বলেন, প্রবল ঢেউয়ের কারণে সাগরে জাল ফেলতে না পেরে জেলেরা বোট নিয়ে ঘাটে ফিরে এসেছে।
শরণখোলার রাজৈর মৎস্য ঘাটের আড়তদার কবীর হোসেন বলেন, সাগরে লঘুচাপের ফলে ফিশিংবোটগুলো ঘাটে নোঙর করে আছে।
বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বারবার বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ছে। মাছ ধরা বন্ধ রেখে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছে তারা। বোট ও মালিকেরা ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়ছে।
সুন্দরবনের জেলে পল্লি দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ফরেস্টের মো. নাসির উদ্দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে মোবাইল ফোনে জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগরে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে। প্রবল ঝোড়োবাতাস বইছে।
দুর্যোগের কারণে আশ্রয় নেওয়া ফিশিংবোট সুন্দরবনের খালে নিরাপদে থাকায় সহযোগিতা করার জন্য বনরক্ষীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) শেখ মাহবুব হোসেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে