নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুলিশের বাধা অতিক্রম করে ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচি চালিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীর। যাচ্ছে। আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরনো পল্টনে বিক্ষোভ করেছে তারা।
তাদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল থেকেই পুলিশ ও সেনাবাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। এত নিরাপত্তার মধ্যেও বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল বের করে পুরানো পল্টনের দিকে যায় সংগঠনের সদস্যরা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধা দিলেও তা অতিক্রম করে মিছিল নিয়ে এগোতে থাকে তারা। দুপুর ২টার দিকে মিছিলটি বিজয় নগর এলাকায় অবস্থান করে।

হিযবুত তাহরীর ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ নিয়ে পুলিশ সদরদপ্তর এক বার্তায় জানিয়েছে, হিযবুত তাহরীর একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন। আইন অনুযায়ী এদের সব কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর তৎকালীন সরকার হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনটি আবার প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে শুরু করেছে। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন থেকে তারা নানা দাবিতে মিছিল ও গোলটেবিল বৈঠক করেছে, এমনকি চট্টগ্রামেও কর্মসূচি পালন করেছে।
আজ শুক্রবার সংগঠনটি রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগিয়ে ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে তারা প্রচারণা চালায়।

এ কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ অনুযায়ী নিষিদ্ধ ঘোষিত যেকোনো সংগঠনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, পোস্টার-লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। হিযবুত তাহরীর যদি এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ এই সংগঠনের তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ এই সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে।

পুলিশের বাধা অতিক্রম করে ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচি চালিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীর। যাচ্ছে। আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরনো পল্টনে বিক্ষোভ করেছে তারা।
তাদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল থেকেই পুলিশ ও সেনাবাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। এত নিরাপত্তার মধ্যেও বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল বের করে পুরানো পল্টনের দিকে যায় সংগঠনের সদস্যরা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধা দিলেও তা অতিক্রম করে মিছিল নিয়ে এগোতে থাকে তারা। দুপুর ২টার দিকে মিছিলটি বিজয় নগর এলাকায় অবস্থান করে।

হিযবুত তাহরীর ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ নিয়ে পুলিশ সদরদপ্তর এক বার্তায় জানিয়েছে, হিযবুত তাহরীর একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন। আইন অনুযায়ী এদের সব কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর তৎকালীন সরকার হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনটি আবার প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে শুরু করেছে। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন থেকে তারা নানা দাবিতে মিছিল ও গোলটেবিল বৈঠক করেছে, এমনকি চট্টগ্রামেও কর্মসূচি পালন করেছে।
আজ শুক্রবার সংগঠনটি রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ‘মার্চ ফর খিলাফাহ’ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগিয়ে ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে তারা প্রচারণা চালায়।

এ কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ অনুযায়ী নিষিদ্ধ ঘোষিত যেকোনো সংগঠনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, পোস্টার-লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। হিযবুত তাহরীর যদি এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ এই সংগঠনের তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ এই সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চেকপোস্ট বসিয়ে শতাধিক যানবাহনে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে ২টা পর্যন্ত উপজেলার গওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী মোড়ের (ঢাকা-পিরোজপুর) মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে এ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
৫ মিনিট আগে
আওয়ামী লীগের লোকজনকে জামায়াতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য লতিফুর রহমান বলেছেন, জামায়াতে যোগ দিলে তাঁদের দায়দায়িত্ব তাঁরা নেবেন। আইন-আদালত, থানা-পুলিশ সবকিছুই তাঁরা দেখবেন।
১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাতনামা যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নারানখালী ব্রিজের নিচে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে নাঈমের প্রাইভেট কারটির ধাক্কা লাগে। মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেট কার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
২ ঘণ্টা আগে