
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ছেলের ছুরিকাঘাতে মা-বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে রোমিরাজ দাশ গুপ্তকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১টার দিকে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের গুজরা এলাকার মহাজন বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন গুজরা এলাকার স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তাঁর স্ত্রী কল্পনা দাশ (৫৫)। অভিযুক্ত রোমিরাজ দাশ গুপ্ত এই দম্পতির একমাত্র ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তিন মাস আগে মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরেন রোমিরাজ দাশ গুপ্ত। এরপর প্রায় সময়ই তিনি বিয়ে করানোর জন্য বাবা-মাকে চাপ প্রয়োগ করতেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে অশান্তি চলে আসছিল। আজ সকালে রোমিরাজ মা-বাবার কাছে নিজের বিয়ের দাবি জানান। মা কল্পনা দাশ বিয়ে করাতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো ছুরি নিয়ে মায়ের গলায় আঘাত করেন। স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও ছুরিকাঘাত করেন রোমিরাজ দাশ গুপ্ত।
এতে ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশ গুপ্ত মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপন দাশ গুপ্তকে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রোমিরাজ দাশ গুপ্তকে আটক করেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েকজন ইজিবাইক চালকের দুর্ব্যবহারের একটি ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে আজ বিকেলে ছাত্রপ্রতিনিধিরা মৈশালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চালকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন ইজিবাইকচালক ছাত্রদের ওপর হামলা চালান।
৪ মিনিট আগে
আজ শনিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটসংলগ্ন কার্গো এলাকায় এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা রাশেদ বিন খালেদ আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
১৯ মিনিট আগে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের ইয়াকুবিয়া স্কুল মোড়সংলগ্ন কাজী ওয়াকফ টাওয়ারের উত্তর পাশের সড়কে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি মাঝারি আকারের স্পিকার বক্সসহ আব্দুল্লাহ আল রাহাত মামুনকে আটক করা হয়।
২৮ মিনিট আগে
কালীগঞ্জ পৌরসভার তুমুলিয়া মোড় এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল ও ব্যস্ততম একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে চারটি বাস ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড রয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এবং শত শত যানবাহন এই পথ দিয়ে চলাচল করে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকা বিদ্যুতের খুঁটির গোড়ায় পর্যাপ্ত মাটি নেই।
৩৬ মিনিট আগে