আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বিয়ের দাবিতে বরগুনার আমতলীতে প্রবাসীর বাড়িতে (প্রেমিক) অনশনে বসা তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ রোববার আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান হাসান ইপ্তির আদালতে মামলাটি করা হয়।
আদালত মামলা আমলে নিয়ে থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। আত্মহত্যার হুমকির অভিযোগে করা মামলার বাদী প্রবাসী মহিউদ্দিন বিশ্বাসের বড় ভাই আল আমিন বিশ্বাস।
আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পেশকার মো. কামাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আল আমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে ওই মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে আমতলী থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।’
এর আগে গত শুক্রবার প্রবাসী মহিউদ্দিন ওই তরুণীকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন, তাঁকে বিয়ে করা সম্ভব নয়। পরে রাত ৯টার দিকে অনশনে বসেন তরুণী। গতকাল শনিবার রাতে মহিউদ্দিন বিশ্বাসের মা নাসিমা বেগম তরুণীকে তাঁর ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ঘরে তোলেন।
জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের ওই তরুণীর সঙ্গে উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম আমতলী গ্রামের বাসিন্দা মহিউদ্দিন বিশ্বাস ১৬ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক হয়।
তখন মহিউদ্দিন দশম শ্রেণিতে এবং তরুণী একই বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৬ বছর ধরে চলা সম্পর্কে মহিউদ্দিন বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছেন—এমন অভিযোগ তরুণীর।
২০১৭ সালে মহিউদ্দিন কুয়েতে চলে যান। সেখানে যাওয়ার পর বেশ কয়েকবার পরিবার থেকে তরুণীকে বিয়ে দিতে উদ্যোগ নেয়, কিন্তু মহিউদ্দিন বিয়ে পণ্ড করে দেন।
৮ বছর পর গত ৪ মার্চ তিনি (মহিউদ্দিন) কুয়েত থেকে বাড়িতে আসেন। বাড়িতে আসার পর দুজনের মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্ক চলে আসছে। তাঁদের সম্পর্কের কথা দুই পরিবার জানত।
ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, ‘আমার জীবন থেকে মহিউদ্দিন ১৬টি বছর নষ্ট করে দিয়েছে। আমার পরিবার বেশ কয়েকবার বিয়ের উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু মহিউদ্দিন ভেঙে দিয়েছে। আমার সঙ্গে মহিউদ্দিন শারীরিক সম্পর্ক করেছে। এত কিছুর পর জানতে পারলাম, আমার বিরুদ্ধে মহিউদ্দিনের বড় ভাই আল আমিন বাদী হয়ে মামলা করেছে।’
এ বিষয়ে জানতে মহিউদ্দিন বিশ্বাসের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাড়া না দেওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
অন্যদিকে মামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বাদী আল আমিন বিশ্বাস বলেন, ‘আমার ভাই মহিউদ্দিন বিশ্বাসের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে দেওয়ার কথাবার্তা চলছে। আমি কেন তার বিরুদ্ধে মামলা দেব? আদালতে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে কে মামলা করেছে—এমন প্রশ্নে তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন।’
তবে আইনজীবী মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, ‘ওই মেয়েকে আসামি করে কুয়েতপ্রবাসী মহিউদ্দিন বিশ্বাসের বড় ভাই আল আমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলা করেছেন।’
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আদালতের কোনো নথিপত্র পাইনি। আদালতের আদেশমতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিয়ের দাবিতে বরগুনার আমতলীতে প্রবাসীর বাড়িতে (প্রেমিক) অনশনে বসা তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ রোববার আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান হাসান ইপ্তির আদালতে মামলাটি করা হয়।
আদালত মামলা আমলে নিয়ে থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। আত্মহত্যার হুমকির অভিযোগে করা মামলার বাদী প্রবাসী মহিউদ্দিন বিশ্বাসের বড় ভাই আল আমিন বিশ্বাস।
আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পেশকার মো. কামাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আল আমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে ওই মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে আমতলী থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।’
এর আগে গত শুক্রবার প্রবাসী মহিউদ্দিন ওই তরুণীকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন, তাঁকে বিয়ে করা সম্ভব নয়। পরে রাত ৯টার দিকে অনশনে বসেন তরুণী। গতকাল শনিবার রাতে মহিউদ্দিন বিশ্বাসের মা নাসিমা বেগম তরুণীকে তাঁর ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ঘরে তোলেন।
জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের ওই তরুণীর সঙ্গে উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম আমতলী গ্রামের বাসিন্দা মহিউদ্দিন বিশ্বাস ১৬ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক হয়।
তখন মহিউদ্দিন দশম শ্রেণিতে এবং তরুণী একই বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৬ বছর ধরে চলা সম্পর্কে মহিউদ্দিন বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছেন—এমন অভিযোগ তরুণীর।
২০১৭ সালে মহিউদ্দিন কুয়েতে চলে যান। সেখানে যাওয়ার পর বেশ কয়েকবার পরিবার থেকে তরুণীকে বিয়ে দিতে উদ্যোগ নেয়, কিন্তু মহিউদ্দিন বিয়ে পণ্ড করে দেন।
৮ বছর পর গত ৪ মার্চ তিনি (মহিউদ্দিন) কুয়েত থেকে বাড়িতে আসেন। বাড়িতে আসার পর দুজনের মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্ক চলে আসছে। তাঁদের সম্পর্কের কথা দুই পরিবার জানত।
ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, ‘আমার জীবন থেকে মহিউদ্দিন ১৬টি বছর নষ্ট করে দিয়েছে। আমার পরিবার বেশ কয়েকবার বিয়ের উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু মহিউদ্দিন ভেঙে দিয়েছে। আমার সঙ্গে মহিউদ্দিন শারীরিক সম্পর্ক করেছে। এত কিছুর পর জানতে পারলাম, আমার বিরুদ্ধে মহিউদ্দিনের বড় ভাই আল আমিন বাদী হয়ে মামলা করেছে।’
এ বিষয়ে জানতে মহিউদ্দিন বিশ্বাসের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাড়া না দেওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
অন্যদিকে মামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বাদী আল আমিন বিশ্বাস বলেন, ‘আমার ভাই মহিউদ্দিন বিশ্বাসের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে দেওয়ার কথাবার্তা চলছে। আমি কেন তার বিরুদ্ধে মামলা দেব? আদালতে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে কে মামলা করেছে—এমন প্রশ্নে তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন।’
তবে আইনজীবী মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, ‘ওই মেয়েকে আসামি করে কুয়েতপ্রবাসী মহিউদ্দিন বিশ্বাসের বড় ভাই আল আমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলা করেছেন।’
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আদালতের কোনো নথিপত্র পাইনি। আদালতের আদেশমতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে