নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাখিল করা চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করে নারাজি দাখিল করেছেন মামলার বাদী।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
বাদী আব্দুল্লাহ আল জাবের আদালতে হাজির হয়ে বলেন, মামলাটির সঠিক তদন্ত হয়নি। হাদি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী ও ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়নি।
দুপুরের আগে বাদী আদালতে হাজির হয়ে নারাজি আবেদন দাখিল করেন তাঁর আইনজীবীদের মাধ্যমে। একই সঙ্গে এই মামলায় জব্দ করা হাদির দুটি মোবাইল ফোনসেট নেওয়ার আবেদন করেন।
বাদীপক্ষে মামলা শুনানি করেন ব্যারিস্টার এস এম মইনুল করিম, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল। এ সময় ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।
শুনানি শেষে আদালত বলেন, ‘মামলাটি যেহেতু চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর। নারাজি দাখিল করার জন্য আপনারাও সময় নিয়েছেন। আমিও কিছুটা সময় নিয়ে নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেব।’
তবে কখন আদেশ দেওয়া হবে, এটা আদালত উল্লেখ করেননি।
এর আগে ১২ জানুয়ারি চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা শুনানি ও বাদীর আপত্তি আছে কি না, সে বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। ওই দিন বাদী চার্জশিট পর্যালোচনা করার সময় চাইলে আদালত আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে বর্তমানে ১১ জন কারাগারে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবির, সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু ও নরসিংদীতে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল।
প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ছয়জন পলাতক রয়েছেন। অন্যরা হলেন—ফয়সালের সহযোগী আলমগীর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ফিলিপ স্নাল ফিলিপস, মুক্তি আক্তার এবং ফয়সালের বোন জেসমিন আক্তার।
তদন্ত কর্মকর্তা পলাতক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন চার্জশিটে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ আদায় করে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওই দিন বেলা ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাখিল করা চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করে নারাজি দাখিল করেছেন মামলার বাদী।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
বাদী আব্দুল্লাহ আল জাবের আদালতে হাজির হয়ে বলেন, মামলাটির সঠিক তদন্ত হয়নি। হাদি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী ও ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়নি।
দুপুরের আগে বাদী আদালতে হাজির হয়ে নারাজি আবেদন দাখিল করেন তাঁর আইনজীবীদের মাধ্যমে। একই সঙ্গে এই মামলায় জব্দ করা হাদির দুটি মোবাইল ফোনসেট নেওয়ার আবেদন করেন।
বাদীপক্ষে মামলা শুনানি করেন ব্যারিস্টার এস এম মইনুল করিম, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল। এ সময় ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।
শুনানি শেষে আদালত বলেন, ‘মামলাটি যেহেতু চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর। নারাজি দাখিল করার জন্য আপনারাও সময় নিয়েছেন। আমিও কিছুটা সময় নিয়ে নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেব।’
তবে কখন আদেশ দেওয়া হবে, এটা আদালত উল্লেখ করেননি।
এর আগে ১২ জানুয়ারি চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা শুনানি ও বাদীর আপত্তি আছে কি না, সে বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। ওই দিন বাদী চার্জশিট পর্যালোচনা করার সময় চাইলে আদালত আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে বর্তমানে ১১ জন কারাগারে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবির, সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু ও নরসিংদীতে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল।
প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ছয়জন পলাতক রয়েছেন। অন্যরা হলেন—ফয়সালের সহযোগী আলমগীর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ফিলিপ স্নাল ফিলিপস, মুক্তি আক্তার এবং ফয়সালের বোন জেসমিন আক্তার।
তদন্ত কর্মকর্তা পলাতক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন চার্জশিটে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ আদায় করে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওই দিন বেলা ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
৮ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৭ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে