
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) অনুসন্ধান ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. সিরাজ উদ্দিন এই শোকজের নোটিশ দেন। এতে ওই প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগ করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, প্রতীক বরাদ্দের আগেই সরোয়ার আলমগীর ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে সভা, সমাবেশ ও প্রচারণা চালিয়েছেন। এ ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজেও সংশ্লিষ্ট প্রচারণার ভিডিও পাওয়া গেছে।
কমিটির ভাষ্যমতে, এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ৩, ১৬, ১৮ ও ২৭ বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই কারণে ১৮ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে প্রার্থীকে সশরীর হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফটিকছড়ির সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে স্থাপিত অস্থায়ী কার্যালয়ে তিনি উপস্থিত হবেন।
এ বিষয়ে সরোয়ার আলমগীর বলেন, ‘কিছু জানি না। তবে শুনেছি। এমন হলে তা অনভিপ্রেত। প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠে পিছিয়ে থাকা প্রার্থীর কাজই হলো অন্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, প্রোপাগান্ডা ছড়ানো। এমনও হতে পারে।’

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সর্বশেষ ফলাফলে দেখা গেছে, বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে বিএনপি এবং তিনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
৩ মিনিট আগে
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেল জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী ৯১ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।
২৫ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চারটি আসনেই গণভোটে নিরঙ্কুশভাবে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে। আসনগুলোতে ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। এর বিপরীতে ‘না’ ভোট বেছে নিয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৫৭ জন।
৩১ মিনিট আগে
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে পাঁচজনই তাঁদের জামানতের টাকা হারিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার।
১ ঘণ্টা আগে