সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার বিকেলে টিপরাখলা-ঘিলাতৈল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবক গুলিবিদ্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান।
নিহত যুবকের নাম জমির আহমদ (২৫)। জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ঘিলাতৈল গ্রামের আব্দুল মন্নানের ছেলে।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে দিন রাত ভারতীয় পণ্য সামগ্রী আনতে বাংরাদেশি যুবকরা অনুপ্রবেশ করছে। সেক্ষেত্রে ভারতীয় খাসিয়াদের পান সুপারি জুম নষ্ট হচ্ছে। এ জন্য তাঁরা পাহারা বসান। সীমান্তে পণ্য আনতে গিয়ে জুমের ক্ষতি হওয়ার কারণে খাসিয়ারা গুলি চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক থাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক আরও জানান, নিহতের শরীরে বিভিন্ন স্থানে একাধিক ছররা গুলির চিহ্ন রয়েছে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান বলেন, লাশ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসামানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।
তবে এ বিষয়ে জৈন্তাপুর রাজবাড়ীর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনাকে ‘অপ্রত্যাশিত অবহেলা’র ফল হিসেবে উল্লেখ করেছে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় হাসপাতালের দুই নিম্নপদস্থ কর্মীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া নোটিশকে ‘বেআইনি’ বলে দাবি করেছেন
৭ মিনিট আগে
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, মিরপুর ও উত্তরখান থেকে ছয়জন দগ্ধ হয়ে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন। উত্তরখানের আলী হোসেনের শরীরের ১০০ শতাংশ, হাসনা হেনার ৬০ এবং আঁখির ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
গাজীপুরে পুলিশ বক্সে ঢুকে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতাল ভর্তি করা হয় তাঁকে। এ ঘটনায় হাতেনাতে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে গাজীপুরের চৌরাস্তা পুলিশ বক্সে এ ঘটনা ঘটে।
১৩ মিনিট আগে
পরিবারের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন সাভারের আল-মুসলিম গ্রুপের কর্মী হাসনা হেনা। কিন্তু ছুটির মধ্যেই মোবাইল ফোনে কর্মস্থল থেকে পাঠানো একটি খুদে বার্তায় জানতে পারেন, বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী তাঁকে ছাঁটাই করা হয়েছে।
১৭ মিনিট আগে