খাগড়াছড়ি সদর রিজিয়নের উদ্যোগে অসহায় ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি সদর দপ্তরে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এসব সহায়তা দেওয়া হয়।
সহায়তার মধ্যে ছিল জেলার ১০ জন অসহায় ও অসচ্ছল রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা, একটি ল্যাপটপ, একটি মনিটর, ম্যাগাজিন ‘রূপসী কাপ্তাই’, চারজন অসহায় ব্যক্তির বসতঘর মেরামতের জন্য ঢেউটিন ও নগদ অর্থ, দুজন অসচ্ছল শিক্ষার্থীর জন্য আর্থিক সহায়তা, একটি সাউন্ড সিস্টেম এবং একটি মহিলা মাদ্রাসার সংস্কারকাজের জন্য আর্থিক সহায়তা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ব্রিগেড মেজর (বিএম) মেজর মো. হাবিবুল্লাহ খান, স্টাফ অফিসার (জিএসও-২) কাজী মোস্তফা আরেফিন এবং ডিএএ অ্যান্ড কিউএমজি মেজর মো. ওমর ফারুক সুমনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।
খাগড়াছড়ি রিজিয়ন জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগ পার্বত্য এলাকায় পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির পরিবেশ আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দক্ষিণ চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যার পর পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করেছে। এবারের বন্যায় জেলার অন্তত ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া বন্যার দূষিত পানিতে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে অনেকের শরীরে ছত্রাক সংক্রমণ, শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এক বছর ধরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় নগর শাসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই সড়ক সংস্কার ও নালা নির্মাণের কাজ চলছে। দুটি প্যাকেজে ৩৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৭ টাকার চুক্তিমূল্যে ১২ স্থানে সাড়ে ৭ কিলোমিটার রাস্তা ও ১৫ স্থানে সাড়ে ১০ কিলোমিটার নালা নির্মাণের কাজ চলছে।
১ ঘণ্টা আগে
সন্ধ্যা গড়াতেই শ্রাবণের বৃষ্টি আরও ঘন হয়ে নামে। শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের কার্নিশ ছুঁয়ে মাধবীলতার পাতায় জমতে থাকে বৃষ্টির ফোঁটা। এমন বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় মিলনায়তনে ভেসে আসে সুরের মূর্ছনা—‘আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়, আমার কথার ফুল গো–কুড়িয়ে তুমি নিও’।
১ ঘণ্টা আগেনাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভায় ছাড় (রিবেট) সুবিধা দিয়েও হোল্ডিং ট্যাক্সের (পৌর কর) প্রায় ২ কোটি টাকা আদায় হচ্ছে না। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মাসের বকেয়া বেতন । অপর দিকে ব্যাহত হচ্ছে পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম। পৌরসভার কর বিভাগের দাবি, নাগরিক পর্যায়ে কর আদায় হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান...
১ ঘণ্টা আগে