Ajker Patrika

মুলাদীতে এখনো অপসারণ হয়নি প্রার্থীদের প্রচারণার বিলবোর্ড

আরিফুল হক তারেক, মুলাদী (বরিশাল) 
মুলাদীতে এখনো অপসারণ হয়নি প্রার্থীদের প্রচারণার বিলবোর্ড
ছবি: আজকের পত্রিকা

বরিশালের মুলাদীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার তিন দিনেও বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করেননি প্রার্থীরা। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের প্রচারণার সামগ্রী রয়ে গেছে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক দু-একজন প্রার্থী তাঁদের নিজ দায়িত্বে কিছু বিলবোর্ড ও ব্যানার সরিয়ে নিয়েছেন।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে ও মুলাদী সরকারি কলেজ এলাকায় বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং ১১ দলীয় জোট প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা গেছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। শ্রমিক না পাওয়ায় এসব সামগ্রী অপসারণে দেরি হচ্ছে বলে দাবি করেন প্রার্থীদের কর্মীরা।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দীন জানান, নির্বাচন কমিশন প্রণীত প্রার্থীদের আচরণবিধিতে বলা আছে, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় ব্যবহৃত নিজ নিজ প্রচারণার সামগ্রী প্রার্থী নিজ দায়িত্বে অপসারণ করবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।

সেই হিসাবে গতকাল শনিবার বিকেল ৪টার মধ্যে সব প্রার্থীর প্রচারণার সামগ্রী অপসারণের বাধ্যবাধকতা ছিল। প্রার্থীদের প্রচারণার সামগ্রী অপসারণে বিলম্বের বিষয়ে নোটিশ করা হবে।

মুলাদী পৌরসভার বাসিন্দা আবু নাছের আরেফিন বলেন, ‘মুলাদী কলেজ ও উপজেলা পরিষদের গেটে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু, বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড রয়েছে।

‘এতে এলাকার সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। অবশ্য গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন তাঁর নিজের বিলবোর্ড সরিয়ে নিয়েছেন।’

এ ব্যাপারে এবি পার্টির বরিশাল জেলার সদস্যসচিব প্রকৌশলী জি এম রাব্বী বলেন, নির্বাচনের পরপরই বিএনপির লোকজন এবি পার্টির কর্মী-সমর্থকদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাঁদের ভয়ে কর্মীরা কাজ করতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই প্রচারণার সামগ্রী অপসারণের জন্য শ্রমিক নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা কাজ করছেন এবং অনেক এলাকা থেকে ইতিমধ্যে বিলবোর্ড ও ফেস্টুন সরানো হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী কামাল হোসেন বলেন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এলাকায় থাকায় নেতা-কর্মীরা বেশ কিছু কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব প্রচারসামগ্রী অপসারণ করা হবে।

এ ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, গতকাল শনিবার বিকেলে ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। প্রার্থীদের প্রচারণাসামগ্রী দ্রুত অপসারণের জন্য পুনরায় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত